নজরবন্দি ব্যুরো: আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট। এক দফাতে হবে এই ভোট। রাজ্যের ৭৪ হাজার আসনে এক দফাতে পর্যাপ্ত পুলিশ দিয়ে ভোট করানটাই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। রাজ্যের হাতে যা পুলিশ বাহিনী আছে তাতে করে শুধু এ রাজ্যের পুলিশ বাহিনী দিয়ে নিশ্চিন্দ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দ্বিধায় রাজ্য। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রতিবেশি রাজ্যে বাহিনী চেয়ে চিঠি পাঠানো হলেও ওই দুই রাজ্য বাহিনী পাঠাতে রাজি হয়নি।
এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট করতে গেলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী দরকার। ফলে এক লপ্তে বিশাল সংখ্যক বাহিনী পাওয়া ঘিরে কপালে চিন্তার ভাঁজ রাজ্যের। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে ভোট পরিচালনা করা যেতে পারে ,এমন একটা বিকল্প সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পার্শ্ববর্তী দুটি রাজ্য পুলিশ পাঠাতে পারবে না বলে চিঠি দিয়ে নবান্নকে জানিয়েয়েছে। এটা জানার পর আরও দুটি রাজ্যকে চিঠি লিখতে চলেছে রাজ্য। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের সময় পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলি থেকে রাজ্যে পুলিশ এসেছিল, এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে চিঠি দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।
এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট, বাহিনী প্রশ্নে দ্বিধায় রাজ্য

গত বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেন। নির্দেশিকায় পরিস্কার ভাবে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পঞ্চায়েত অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধুমাত্র একটি গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে৷ মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবে শুধুমাত্র দুজন। এই নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কিনা, তা দেখার জন্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকরা নজরদারি করবেন। এছাড়া, কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রচার কর্মসূচিতে কোনও বাইক মিছিল চলবে না৷ রাজনৈতিক প্রচারে মোটরবাইক মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ৷

পঞ্চায়েত সমিতি বা গ্রাম পঞ্চায়েতের যাঁরা প্রার্থী হবেন, তাঁরা চার চাকা গাড়ি নিয়ে প্রচার করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে, তাঁরা শুধুমাত্র দু’চাকা বা তিন চাকার যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন।যখন কোনও রোড শো হবে, শুধুমাত্র চারটি গাড়িকেই প্রচারের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলি কমিশনের এই নির্দেশিকা না মানলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও । ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।



