চলতি মাসের ১১ তারিখ দেশজুড়ে চালু হয়ে গিয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ। আর এই আইন নিয়েই সুপার শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এই আইনের বিরোধিতা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন এবং কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তারা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন তাদের রাজ্যে সিএএ প্রণয়ন করতে দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন: আসন জিততে তৃণমূলের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান, দেব বনাম হিরণে এগিয়ে কে?



এই তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন তা এককথায় বেনোজির। সরকারের পোর্টালে ইতিমধ্যেই নাগরিকত্বের আবেদন পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি করা কোন আইন রাজ্য সরকার কি বাধা দিতে পারেন? এই নিয়ে উঠেছে। এই নিয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা এক কথায় জানিয়ে দিয়েছেন রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা করা গেলেও কোন দেশের সরকার কোন আইন প্রণয়ন করলে সেই দেশের অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা কেন্দ্রীয় আইন কার্যকর করবেন না বলে ঘোষণা করতে পারেন না।

এটা সংবিধান বিরোধী। তবে হ্যাঁ তারা চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন জানাতে পারেন। কিন্তু কোনভাবেই কেন্দ্রীয় আইনকে তাদের শাসনাধীন রাজ্যে কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। আরো জানিয়েছেন কোন দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের কোন আইন রাজ্য সরকার প্রণয়ন করতে না চাইলে বা বাধা দিলে তাকে সাংবিধানিক সংকট হিসেবে ধরা হবে। আর সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসনের মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার।


মমতারা পারেন CAA লাগু না হতে দিতে? কি বলছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা

সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকত্ব কেন্দ্রীয় তালিকা ভুক্ত বিষয় এই ব্যাপারে রাজ্য সরকার তার ইচ্ছেমতো মন্তব্য করতে পারেন না। সংবিধানের ২৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে দেওয়া রয়েছে, সংসদে প্রণীত আইন মেনে চলতে হবে রাজ্যকে। এমনকি, রাজ্যকে সেই আইন মানার জন্য সরাসরি নির্দেশও দিতে পারে কেন্দ্র। ফলে এই মুখ্যমন্ত্রীরা যায় বলুক না কেন আইন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে পারেন কিন্তু বন্ধ করতে পারেন না।







