নজরবন্দি ব্যুরোঃ SLST তেও ৬ ভুয়ো নিয়োগের অভিযোগে শিক্ষা দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টরের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ৭ মার্চের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। একইসঙ্গে ৬ জনের নিয়োগকে বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করার অনুমতি চাইল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
আরও পড়ুনঃ SSC: দুর্নীতিতে জড়িত নিয়োগের সুপারিশ কমিটি, ১৫ দিনে তদন্ত রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ CBI-কে
যদিও একক বেঞ্চের নির্দেশের কোনও কপি না থাকায় এই মামলা গ্রহণ করেনি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি অজয় মুখ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। সার্ভার কপি পাওয়ার পরেই মামলা দায়ের হতে পারে।
নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও একই রায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেখানে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্যানেলে নাম নেই। তা সত্ত্বেও কিভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের। ফের করে চাকরী পেয়ছেন চাকরী প্রত্যাশীরা। তাই তদন্ত করুক ডিরেক্টর। কী করে হল, তা খুঁজে বের করতে হবে সিবিআইকে। নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি কাণ্ডে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ।
অভিযোগ, ২০১৬ সালের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। যে চাকরিপ্রার্থীরা পাশ করেছেন, তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ তাঁদের অনেকের নিয়োগ হয়নি। এসএসসি-ও ওই অনিয়মের কথা স্বীকার করে নেয়। বাইরের লোকেদের নিয়োগের কথাও জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানকে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে এসএসসি

গোটা ঘটনার পিছনে কারা আছেন? এমনকি কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কী না তা খুঁজে বের করতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যাঁদের নির্দেশে সরকারী আধিকারিকরা এই কাজ করেছেন তাঁদেরকেও খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



