নজরবন্দি ব্যুরোঃ বোর্ডে তাঁর রাজত্বে ফুলস্টপ। ১৮ অক্টোবর রাজপাট ছেড়ে দিচ্ছেন রজার বিনির জন্য। যেভাবে তাঁকে সরে যেতে হল তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাতে গোটা দেশ জুড়ে আলোচনার লাভাস্রোত। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পক্ষে-বিতর্কে মশগুল ক্রিকেট দুনিয়া। কেন বোর্ডের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতে হল প্রিন্স অফ ক্যালকাটাকে?
আরও পড়ুনঃ সুদীপ হল বুড়ো খোকা, বিতর্কে এবার তাপসের পাশে মদন-সৌগত


বোর্ডের মসনদ থেকে মহারাজের বিদায়ের নেপথ্যে কি রয়েছে রাজনীতি? এইসব আলোচনা যখন চলছে তখনি নিজেই মুখ খুললেন মহারাজ। সুধু তাই নয়, তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, সৌরভের মুখে শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম। বন্ধন ব্যাংকের ব্র্যান্ড এমবাসাডর হলেন তিনি। সেই ব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানেই সৌরভ জানিয়ে দিলেন, দীর্ঘদিন তিনি প্রশাসনে যুক্ত ছিলেন। এবার অন্য কিছু করতে চলেছেন তিনি।
মহারাজ বলেন, “প্রশাসক হিসাবে কাজ করেছি। এবার অন্য কিছু করব। ইতিহাসে কখনও বিশ্বাস করতাম না। তবে অতীতে ধারণা ছিল পূর্বাঞ্চলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য প্রতিভার অভাব রয়েছে। একদিনে কেউ আম্বানি, নরেন্দ্র মোদি হয়ে যান না। মাসের পর মাস বছরের পর বছর পরিশ্রম করে সেই জায়গায় পৌঁছতে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “লর্ডসের টেস্ট খেলতে নেমে নিজেকে দশ রান করে টার্গেট দিচ্ছিলাম। ওই দশ রান করতে পারলে পরের দশ রান নিয়ে ভাবছিলাম। এইভাবে চলতে চলতে হঠাৎ দেখলাম, স্কোরবোর্ডে আমার নামের পাশে নব্বই রান।” এই কথা বলে বিদায়ী বোর্ড প্রেসিডেন্ট জানান, নিজের কর্মজীবনেও একই ভাবে এগিয়েছেন তিনি। ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করে বড় উদ্দেশ্য সফল করার দিকে এগিয়েছেন।


বোর্ড-বিদায়ের পর প্ৰথমবার মুখ খুললেন সৌরভ, নিলেন মোদীর নাম
বৃহস্পতিবার সৌরভ আরও বলেন, ক্রিকেট প্রশাসনে সারাজীবন ধরে কেউ থাকতে পারে না। একটা সময়ে সকলকেই সরে যেতে হয়। তাই বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদ খুইয়েও নিজেকে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করছেন দেশের ক্রীড়াজগতের অন্যতম সেরা আইকন। তিনি বলেছেন, ক্রিকেট প্রশাসকের থেকেও বড় ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন।







