নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঐন্দ্রিলা মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই। টানা ২০ দিন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে টানা লড়াই করেছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। এর মাঝেই ঘটে গিয়েছে অনেক অভিপ্রেত-অনভিপ্রেত ঘটনা। ঠিক ১৬ দিনের মাথায় রটে যায়, ঐন্দ্রিলার মৃত্যু সংবাদ। ভুয়ো খবর ভাইরাল হতেই ভেঙে পড়েন পরিবার বর্গ। বন্ধু সব্যসাচী জানান, এই দুঃসংবাদ লেখার অনেক সময় পাবেন,ওকে বাঁচতে দিন। তবে সেই বাঁচার লড়াইয়ে পুর্ণচ্ছেদ পড়ল। পাশে থাকা আরও এক বন্ধু অভিনেতা সৌরভ দাস লিখলেন ঐন্দ্রিলা শর্মার মৃত্যু নিয়ে কিছু কঠোর বাস্তবতার কথা। তিনি আরও বলেন, তোমার সব্য’কে আগলে রাখব। কি বললেন তিনি?
আরও পড়ুনঃ২০ দিনের লড়াই শেষ, না ফেরার দেশে ঐন্দ্রিলা


সৌরভ বললেন,’সে জিতে গেছে। ওর অনেক ভালো জায়গা, ভালো মানুষজনদের সান্নিধ্য প্রাপ্য ছিল। ওর মুক্তি হয়েছে। ও খুব খুশি থাকবে শান্তিতে ঘেরা অন্য দুনিয়ায়।’ এর পরেই ঐন্দ্রিলাকে উদ্দেশ্য করে আবেগপ্রবন হয়ে বলেন সৌরভ, ‘মিষ্টি তকে আমরা ভালোবাসি।আমরা সবসময় তকে ভালোবাসতাম। তুই চিন্তা করিস না। আমি তোর সব্যকে দেখে রাখব।”

টানা ২০ দিনের লড়াইয়ে হাসপাতালে বন্ধু সব্যসাচী ও ঐন্দ্রিলার পাশে ছায়ার মতো ছিলেন সৌরভ। সব্য ঐন্দ্রিলার লড়াইকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। ফেসবুকে মিথ্যা রটনাতেও সরব হয়েছিলেন সৌরভ। তাঁর আবেগ বিগলিত লেখা থেকেই স্পষ্ট যে বন্ধুর এই চলে যাওয়ায় কতটা ভেঙে পরেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকায় যে কিঞ্চিৎ বীতশ্রদ্ধ হয়েছেন তা বলাই যায়। তবে ঐন্দ্রিলার লড়াইকে যে তিনি কতটা সম্মান করেছেন আজকের এই পোস্টেই তা প্রকাশিত।
অবশেষে তিনি আরও একটি অনুরোধ করেন, মিডিয়া ও স্টুডিয়ো পাড়ার সকলকে, কেউ যেন এই দুঃসময়ে ঐন্দ্রিলার কাছের মানুষ সব্যসাচীকে বিব্রত না করেন। তাঁর অবস্থা যে শোকাকুল তা বুঝতে আর বাকি থাকে না। গত রাতের সমস্ত ঐন্দ্রিলা কেন্দ্রিক পোস্ট উড়ে যাওয়ার পর থেকেই আন্দাজ কড়া যায় যে শেষ আশার দীপটিও নিভেছে। সৌরভ বলেন, কারোর কোন জিজ্ঞাস্য থাকলে যেন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন,তবে সব্যসচীকে যেন এখন বিরক্ত না কড়া হয়।


তোমার সব্য’কে আগলে রাখব, বন্ধু ঐন্দ্রিলাকে কথা দিলেন সৌরভ

গতকাল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সমস্ত পোস্ট মুছে ফেলেন সব্যসাচী। কেবল লিখেছিলেন প্রার্থনা করতে। প্রার্থনা মৃত্যুকে জয় করতে পারে, এই বিশ্বাস ছিল সব্যসাচীর। সেই বিশ্বাসে ঐন্দ্রিলার কাঁধে, তাঁর পরিবারের কাঁধে, সব্যসাচীর কাঁধে হাত রেখেছিল গোটা টলিউড। সাধারণ মানুষেরও। ঐন্দ্রিলা ফিরবেই.. এই বিশ্বাসে ভর করে, হাতে হাত রেখে রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছিলেন সকলে। সেই বাঁধন ছাড়িয়ে, ভালবাসা ডিঙিয়ে ঐন্দ্রিলা অনেক দূরে পাড়ি দিলেন। দু’বার ক্যানসারকে পরাজিত করেও ঐন্দ্রিলার আর একটিবার চোখ খুলে দেখা হল না পৃথিবীর আল,আকাশ আর কাছের মানুষদের।







