নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। এখন থেকেই ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যেক বছর ‘শহীদ স্মরনে’ এই অনুষ্ঠান করে থাকে তৃণমূল। বিরাট মঞ্চ আর লাখো মানুষের সমাবেশ। প্রত্যেক তৃণমূল কর্মী সমর্থক বছরভর অপেক্ষা করেন এই দিনটার জন্যে। অনুষ্ঠানে খরচও হয় অনেক। তাই চাঁদা তুলতে হয়। এতদিন কোন বাঁধা ছিলনা। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নতুন নিয়মের বাঁধনে বেধে দিয়েছেন তৃণমূল কর্মীদের।
আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হয়ে আন্দোলন, আত্মঘাতী ‘ভাইরাল’ হওয়া মালদহের ছাত্রী


পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, ২১ শে জুলাইয়ের নামে কোনও চাঁদা তোলা যাবে না। সহজ কথায় দলের নাম করে কোন তোলাবাজি করা যাবেনা। বলাবাহুল্য অভিষেকের বার্তার পরে নড়েচড়ে বসেছেন দলের অনেক সিনিয়ার নেতাও। তাঁদের মধ্যেই একজন সৌগত রায়।

এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৌগত বাবু। তিনি ঘুরিয়ে ছাত্রদের তোলাবাজি বন্ধ করতে বলেন। আর সেই প্রসঙ্গেই টেনে আনেন গুরুদাস কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ পরিচালিত কেকের অনুষ্ঠানের কথা। ছাত্র নেতাদের উদ্দেশ্যে তাঁর প্রশ্ন, কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ তথা কেকের (KK) অনুষ্ঠানের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা এল কোথা থেকে?


কেকে-র অনুষ্ঠানের ৫০ লাখ টাকা দিল কে? তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে প্রশ্ন সৌগত রায়ের।

টাকা তোলা প্রসঙ্গে সৌগত নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমরা বরাহনগর মেলা করতাম। সেই মেলার জন্য বাইরে থেকে শিল্পী আনা হত। আমি নিজে হতে বাবুল সুপ্রিয়কে ৭ লাখ টাকা দিয়েছি, অভিজিৎকে দিয়েছি ৭ লাখ টাকা। পরে অপর্ণা আমায় বলল, দাদা যা খরচ দাঁড়াচ্ছে তাতে ভদ্র ভাবে ভাল ভাবে টাকা জোগাড় করা মুশকিল। তাই বরাহনগর উৎসব বন্ধ করে দিলাম”। সেখানে একটা ছাত্র সংসদ ৫০ লক্ষ টাকা পেল কিভাবে?

তাঁর কথায়, “এই যে কেকে গান গাইতে এসে মারা গেল, আমি শুধু ভাবি এই টাকা কোথা থেকে এল! ৩০ লাখ না ৫০ লাখ কত যেন লেগেছে শুনলাম! টাকা তো হাওয়া থেকে আসে না”।







