নজরবন্দি ব্যুরোঃ আইএস জঙ্গি সন্দেহে শনিবার দুই জনকে হেফাজতে নিয়েছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। এবার তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনের ভাবধারা প্রচার করতে শুরু করেছিল। জানা গেছে, ধৃত সাদ্দাম পড়াশুনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করত। সেখান থেকেই প্রচার চালাত সে।
আরও পড়ুনঃ Militant: জঙ্গি সন্দেহে দুই যুবককে গ্রেফতার, বিরাট অভিযান এসটিফের


জঙ্গি সন্দেহ দুই যুবককে গ্রেফতার। বিদ্যাসাগর সেতু থেকে ধাওয়া করে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দুই যুবককে। জানা গেছে, দুই যুবকের নাম মহম্মদ সাদ্দাম এবং সৈয়দ আহমেদ। ধৃতদের শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের কাছে থেকে ২ টি মোবাইল এবং একটি ল্যাপটপ মিলেছে। সেই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এসটিএফ সূত্রে খবর, যে দুইজনের মধ্যে মাথা হল সাদ্দাম। সাদ্দাম সৈয়দকে পরে যুক্ত করেছিল। ধৃতের মোবাইল, ল্যাপটপ ঘেঁটে দেখা গেছে ২০ টির বেশী টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে যোগ ছিল তাঁর। সিরিয়া ও সৌদি আরবের সঙ্গে টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। এসটিএফের সন্দেহ, সিরিয়া ও সৌদি আরবের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ থাকতে পারে।
আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ, বিরাট তথ্য খুঁজে পেল এসটিএফ

অভিযোগ, খিদিরপুরে অস্ত্র সংগ্রহের বিরাট পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। ধৃতরা অস্ত্র সংগ্রহের কাজ শুরু করেছিল। তার জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চলছিল। এদেশে জাল বিস্তারের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। সাদ্দামের একাধিক উত্তরে ভারতে যাতায়তের তথ্য পাওয়া গেছে। শিক্ষিত যুবকদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করে ভিন দেশে জঙ্গি সংগঠনের ঘাঁটিগুলিতে পাঠানোর দায়িত্ব ছিল সাদ্দামের। এমন তথ্যও উঠে আসছে গোয়েন্দা সূত্রে। কিন্তু সাদ্দামকে কারা নিয়োগ করেছিল? আগামী দিনে তাঁর ল্যাপটপ এবং মোবাইল থেকে আর কী কী তথ্য উঠে আসে সেটাই দেখার।









