উদ্ধার হয় বিপুল অস্ত্র। তার কাছে একটি ব্যাগে লুকনো ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। এদিকে কলকাতায় ভোটের আগে এহেন অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বিগ্ন প্রশাসন। কোথা থেকে এত অস্ত্র এল, কোথায় সেগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এই সমস্ত বিষয় ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
গ্রেফতার করা হল দত্তপুকুরের অবৈধ বাজি কারবারের মূল পান্ডা মহম্মদ নজরুল ইসলামকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে দমদম বিমানবন্দর থেকে আটক করে পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে বারাসাত আদালতে তোলা হয়। নজরুল ইসলামকে আটদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট।
সেখানকার কর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্রিজের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করত ভক্তবংশী। আগামী দিনে আরও বেশকিছু সেতুর ছবি পাঠানোর কথা ছিল ধৃতের। তবে এই ব্রিজে নাশকতার কোনও পরিকল্পনা ছিল বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।
গতকাল (২৫ আগস্ট) ভক্তবংশীকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ (STF)। ধৃতের কাছ থেকে মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত ব্যক্তির মোবাইলে দেশ সম্পর্কিত গোপন ছবি ও ভিডিয়ো সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া গিয়েছে। মূলত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, নথি, ছবি পাক গুপ্তদের কাছে পাচার করার অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রাজ্যজুড়ে জঙ্গি কার্যকলাপ রুক্ষতে তৎপর রাজ্য পুলিশ। গতবছরেও সেপ্টেম্বর মাসে ডায়মন্ড হারবার থেকে আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছিল STF। ইতিমধ্যেই ধৃতদের মধ্যে যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
এসটিএফ সূত্রে খবর, যে দুইজনের মধ্যে মাথা হল সাদ্দাম। সাদ্দাম সৈয়দকে পরে যুক্ত করেছিল। ধৃতের মোবাইল, ল্যাপটপ ঘেঁটে দেখা গেছে ২০ টির বেশী টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে যোগ ছিল তাঁর। সিরিয়া ও সৌদি আরবের সঙ্গে টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল। এসটিএফের সন্দেহ, সিরিয়া ও সৌদি আরবের আইএস জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ থাকতে পারে।
জঙ্গি সন্দেহ দুই যুবকে গ্রেফতার। বিদ্যাসাগর সেতু থেকে ধাওয়া করে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দুই যুবককে। জানা গেছে, দুই যুবকের নাম মহম্মদ সাদ্দাম এবং সৈয়দ আহমেদ। ধৃতদের শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের কাছে থেকে ২ টি মোবাইল এবং একটি ল্যাপটপ মিলেছে।