নজরবন্দি ব্যুরো: গ্রেফতার করা হল দত্তপুকুরের অবৈধ বাজি কারবারের মূল পান্ডা মহম্মদ নজরুল ইসলামকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে দমদম বিমানবন্দর থেকে আটক করে এসটিএফ। শুক্রবার তাঁকে বারাসাত আদালতে তোলা হয়। নজরুল ইসলামকে আটদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট।
আরও পড়ুন: দত্তপুকুর বিস্ফোরণে পুলিশই দায়ী! দলকে অস্বস্তিতে ফেলে বেফাঁস মন্তব্য সৌগতর


রবিবার সকালে বারাসাত দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামের একটি অবৈধ বাজি কারখানায় ভয়ানক বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। আহত হন অনেকে। এরপর থেকেই পুলিশি তৎপরতা বেড়েছে বারাসাত সংলগ্ন এলাকায়। মোচপোল থেকেও উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ শব্দবাজি এবং বারুদ। এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন অনেক বাজি ব্যবসায়ী।

এসটিএফ সূত্রে খবর, গত ২৯ অগস্ট উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি নিষিদ্ধ বাজি এবং বিস্ফোরক ভর্তি ১২ চাকার লরি বাজেয়াপ্ত করা হয়। গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে। এর পর আমডাঙা থানায় মামলা শুরু হয়। তদন্তভার হাতে নেয় এসটিএফ। তাঁরা জানতে পারেন, কোনও এক জন রয়েছেন, যিনি গোটা সরবরাহ প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করেন। সেই ব্যক্তিই হলেন মহম্মদ নজরুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি বারাসাত থানা এলাকার আক্রমপুরে।



আরও জানা গিয়েছে, চেন্নাই থেকে ফিরছিলেন নজরুল। মূলত, ভিনরাজ্যে বাজি সরবরাহ করতেন তিনি। নজরুলকে গ্রেফতার করার পর এসটিএফ জানিয়েছে, এবার আরও অনেক অবৈধ বাজি ব্যবসায়ীর কথা জানা যাবে।
গ্রেফতার দত্তপুকুরের অবৈধ বাজি কারবারের মূল পান্ডা, আটদিনের পুলিশ হেফাজত
অন্যদিকে, বাজি বিস্ফোরণের পর থেকেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রথমে তৃণমূলের তরফে আইএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, পাল্টা আইএসএফ বলে, তাঁরা নয় বাজি ব্যবসাতে মদত দিত তৃণমূল। এরই মধ্যে আবার তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সরাসরি পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সব মিলিয়ে বাজিকাণ্ডে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। চার মাসের মধ্যে চার জায়গায় বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় শাসক দল কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে।








