নজরবন্দি ব্যুরোঃ শ্বশুর- স্ত্রী মীরজাফর, নজিরবিহীন আক্রমনের পর ক্ষমতায় এলে তদন্তের হুঁশিয়ারি শোভনের। আজ মহেশতলায় বিজেপির সভায় বান্ধবী বৈশাখীকে পাশে নিয়ে শাসক দলকে আক্রমনের পাশাপাশি নজিরবিহীন ভাষায় নিজের প্রাক্তন এবং শ্বশুরকে মীরজাফর বলে আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত তাঁর শ্বশুর দুলাল দাস ও স্ত্রী রত্না দুজনেই তৃণমূলের উচ্চপদের নেতা।
আরও পড়ুনঃ এখনই কি খোলা বাজারে ভ্যাকসিন, রাজ্য সফরে এসে জবাব দিলেন হর্ষবর্ধন।
শুধু মীরজাফর বলে আক্রমনই নয় ক্ষমতায় এলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার হুঁশিয়ারি ও দেন তিনি। আজ কড়া ভাষায় আক্রমন করে ওই সভা থেকে তিনি বলেন ‘দুলাল দাসকে মানুষ চিনেছে কোথা থেকে। উনি এবং ওনার মেয়ে হলেন সবচেয়ে বড় মীরজাফর। আমার পিঠটা যদি দেখেন দগদগে ঘা। সমস্ত গোডাউন দখল করে রেখেছেন। এক পয়সা আমাকে দেন না। অত ক্ষমতা থাকলে মেয়েকে নিয়ে এসে নিজের বাড়িতে এনে রাখুন না। আমি ডিভোর্স দিয়েছি, এত অভিযোগ থাকলে কোর্টে গিয়ে বাধা দিচ্ছেন কেন? কোন ধান্দা রয়েছে? ধান্দা করা বন্ধ করে দেব।’
শুধু তাই নয় এদিন বান্ধবী বৈশাখীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর হুঙ্কার ‘বহু কৈফিয়ত বহু ভাবে মানুষের কাছে দিতে হবে। ‘ তবে আজকের এই সভা নিয়ে যথেষ্ট উত্তেজনা ছিল। তার আগে রোড শো তেও উত্তেজিত হয় পরিস্থিতি। যে পথ দিয়ে রোড শো যায়, তার পাশে ভিড় করেন তৃণমূল সমর্থকরা। কালো পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মহিলাদের হাতে দেখা যায় ঝাঁটাও।
শ্বশুর- স্ত্রী মীরজাফর, নজিরবিহীন আক্রমনের পর ক্ষমতায় এলে তদন্তের হুঁশিয়ারি শোভনের। শেষ পর্যন্ত অবশ্য দু’ পক্ষের মধ্যে কোনও সংঘাত বাঁধেনি। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে শেষ হয় বিজেপি-র রোড শো। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য রাজনীতিতে বাড়ছে উত্তেজনার পারদ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ব্যাক্তিগত আক্রমনের রীতি।









