Sarada Scam: ১০ বছরের অপেক্ষা! প্যারোলে মুক্তি পেতে চলেছেন সারদা কাণ্ডে ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায়

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্য জুড়ে তোলপাড় ফেলে দেওয়া সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি অন্যতম ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায় মুক্তি পেতে চলেছেন। তবে এই মুক্তি সাময়িক। প্যারোলে ৪ ঘন্টার জন্য মুক্তি পেতে চলেছেন। আগামী ৫ জুন দেবযানী দমদমের কেন্দ্রীয় সংশোধানাগার থেকে মুক্তি পেয়ে অসুস্থ মাকে দেখতে যাবেন।

আরও পড়ুন: সিবিআই মুখ্যমন্ত্রী পদের সমীহ করে চলেছে? সারদা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

১০ বছর পর কারাগারের বাইরে পা রাখতে চলেছেন একদা সুদীপ্ত সেনের ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায়। অসুস্থ মাকে দেখার জন্য জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন দেবযানী। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতেই খোলা আকাশের নীচে মুক্তির স্বাদ পেতে চলেছেন।

images 1 জানা যাচ্ছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দেবযানীর মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিষয়টা জানতে পেরেই প্যারোলে বাড়ি যাওয়ার জন্য দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের হয়ে আবেদন জানান তাঁর আইনজীবী। দেবযানীর আইনজীবীর কথায়, “বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা গিয়েছে দেবযানীর মায়ের। তাই প্যারোলে একবার মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য তিনি আবেদন করেন।” ওই আবেদন মঞ্জুর করেছে জেল কর্তৃপক্ষ। জানা যাচ্ছে, জেল কর্তৃপক্ষের তরফে লালবাজারে নিরাপত্তার জন্য চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

1600x960 395280 debjani mukherjee

সারদা চিটফান্ড মামলায় ২০১৩ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং তাঁর ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায়। পরের বছর ২০১৪ সালে সারদা টুর অ্যান্ড ট্রাভেলস মামলায় অভিযুক্ত হন দেবযানী। গত ১০ বছরে অনেকবার জামিনের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু জামিন মেলেনি। রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েও আবেদন করেছিলেন দেবযানী মুখোপাধ্যায়। ওই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন।

১০ বছরের অপেক্ষা! প্যারোলে মুক্তি পেতে চলেছেন সারদা কাণ্ডে ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায়

 ১০ বছরের অপেক্ষা! প্যারোলে মুক্তি পেতে চলেছেন সারদা কাণ্ডে ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায়
১০ বছরের অপেক্ষা! প্যারোলে মুক্তি পেতে চলেছেন সারদা কাণ্ডে ধৃত দেবযানী মুখোপাধ্যায়

বর্তমানে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে দেবযানী মুখোপাধ্যায় নার্সের কাজ করেন। বন্দিদের ডায়েট, কোনও বন্দির চোট লাগলে দ্রুত ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া, ওষুধ দেওয়া সহ অন্যান্য নার্সিং’র কাজ করেন। সঙ্গে ইংরেজি পড়ান। জেলে ভাল আচরণের জন্য এর আগেও কর্তৃপক্ষের প্রশংসা জুটেছে। এই ভাল আচরণও প্যারোলের অনুমতি পাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত