নজরবন্দি ব্যুরো: সম্পূর্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও বস্তির বেশ কয়কটি জায়গায় পকেট ফায়ার হচ্ছে! গোটা বস্তি এলাকা এখন পুড়ে ছাই! পরিণত হয়েছে শ্মশানে! অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশ্রয়হীন অনেকেই! রীতিমত বিধ্বংসী আগুনে সব খুইয়ে দিশেহারা বাসিন্দারা। কোথায় যাবেন? কি খাবেন? কিভাবে সংসার চলবে তাদের? আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন গৃহহীনরা। ওই বস্তিতে ৮০টি পরিবারের বাস ছিল। আর বস্তি পুড়ে ছারখার হওয়ায় এই পরিবারগুলি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: COVID-19: দৈনিক সংক্রমণে সামান্য স্বস্তি, মৃত ১৬, চিন্তা বাড়াচ্ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা



যদিও পুরসভার পক্ষ থেকে গৃহহীনদের কমিউনিটি সেন্টারে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সকাল হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বস্তির বাসিন্দারা। তবে আগুনে অধিকাংশ জিনিসই পুড়ে ছাই হলেও তার মধ্যে থেকে যদি কিছু উদ্ধার হয়, সেই আশাতেই আছেন বাসিন্দারা। যদিও আজ সকালেও বস্তির কিছু জায়গায় পকেট ফায়ার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাই দমকলের ২টি ইঞ্জিন এখনও রয়েছে ওই ঘটনাস্থলে। পকেট ফায়ারও নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলছে। অন্যদিকে, ওই বস্তির এক মহিলা বাসিন্দা বলেন, “আমাদের সবকিছু চলে গেল। আমরা এখন কী করব।”



প্রসঙ্গত, বিধ্বংসী আগুনের জেরে মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেল গোটা এলাকা। রবিবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেকের ফাল্গুনি বাজারে। মুহূর্তের মধ্যেই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের যেরে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাজারে এলাকায়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তারপরেও একাধিকবার বিস্ফোরণ ঘটছিল বলে সূত্রে খবর! পাশাপাশি ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। ও বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণ চক্রবর্তী।

জানা গিয়েছে, রবিবার ছুটির দিনে বিকেলে আচমকা সল্টলেকের ফাল্গুনী বাজারে আগুন লেগে যায়। একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি আবাসানা রয়েছে। আর আবাসনের গায়ে বেশ কিছু ঝুপড়ি তেও আগুন লেগে যায়। এলাকাবাসীর দাবি, ওই জায়গায় কমপক্ষে পাঁচশো মানুষের বাস৷ ফাল্গুনী বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশ্রয়হীন অনেকেই!
বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই, ছারখার হওয়ায় এই পরিবারগুলি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন

দমকল সূত্রের খবর, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়েছেন দমকল কর্মীরা। যেহেতু দাহ্য পদার্থ থাকায় ঝুপড়িগুলিত্ দ্রুত আগুন পড়েছে বলে আশঙ্কা করেছেন দমকল কর্মীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই এলাকায় অধিকাংশ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিওবা আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ঝুপড়ির মধ্যে দিয়ে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়। পাশাপাশি আর কোনভাবেই যাতে সিলিন্ডার ফেটে বিস্ফোরণ না ঘটে সে দিকেও খেয়াল রাখছেন দমকল দমকলকর্মীরা।








