নজরবন্দি ব্যুরো: ২০১১ সালে ওয়াংখেড়ের মাঠে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। আর ম্যাচ জেতার ভারতীয় ক্রিকেটের ‘ঈশ্বর’ সচিন তেন্ডুলকরকে কাঁধে তুলে গোটা মাঠ প্রদক্ষিণ করেছিল ভারতীয় দল। কারণ, সেটাই ছিল সচিনের শেষ বিশ্বকাপ। এবার সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিয়ে একটি অজানা কথা ভাগ করে নিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ।
আরও পড়ুন: মেসির প্রাক্তন ক্লাবে শুভমন, গিলকে সাত নম্বর জার্সি উপহার দিল প্যারিস!


সচিনকে কাঁধে তোলার ছবিটি ভালো করে দেখলে আমরা দেখতে পারব, সচিনের ‘ভার’ যারা বহন করেছিলেন তাঁরা হলেন বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না, হরভজন সিংহ এবং ইউসুফ পাঠান। চিরকাল সচিনের শিষ্য হিসেবে চর্চিত বীরুকে কিন্তু সেখানে দেখা যায়নি। তিনি তেরঙ্গা পতাকা নিয়ে পিছনেই ছিলেন অবশ্য। কিন্তু সচিনকে তো তিনি প্রচণ্ড ভালোবাসতেন, তাঁদের জুটিও ছিল অসাধারণ। তাহলে কী এমন হয়েছিল যে, সচিনকে কাঁধে তুলতে গিয়ে কিছুটা ‘ব্যাকফুটে’ যেতে হল দিল্লির সুলতানকে?

মঙ্গলবার বিশ্বকাপের সূচিপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সেওয়াগ মজা করে বলেন, ‘আমরা সত্যিই সচিনকে কাঁধে তুলতে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। সচিন এতটাই ভারী ছিল যে আমরা তুলতে পারতাম না। আমাদেরও বয়স হচ্ছিল। আমার কাঁধে চোট ছিল। ধোনির হাঁটুর সমস্যা ছিল। মোট কথা সবারই কিছু না কিছু সমস্যা ছিল। তাই আমরা ইয়ংদের দায়িত্ব দিয়েছিলাম সচিনকে কাঁধে তোলার জন্য। তাই বিরাটই সচিনকে কাঁধে তুলে গোটা মাঠ ঘুরেছিল’।

সচিন-সৌরভ জুটির পর ভারতীয় ওপেনিং জুটি হিসেবে জনপ্রিয়তার নিরিখে আজও এগিয়ে থাকে সচিন-সেওয়াগ জুটি। ভারতীয় দলে সেওয়াগের অভিষেকের পর থেকেই তাঁকে ‘দাদা’র মতো আগলে রেখেছিলেন সচিন। ২০১১ বিশ্বকাপেও দু’জন একসাথে ওপেন করেছিলেন। অন্যদিকে, আবার বিরাট কোহলিও বারবার বলেছেন তাঁর রোলমডেল ছিলেন সচিন। আসলে তিরাশির ২৮ বছর পর এগারোর বিশ্বকাপ জিতে আবেগে আত্মহারা হয়ে পড়ছিল ভারতীয় দল সহ গোটা দেশবাসী। তাই আগামী ভবিষ্যতেও এগারোর নানান বিষয় নিয়ে চর্চা চলতেই থাকবে।


‘ভারী’ সচিনকে কাঁধে তোলা আমাদের কম্মো ছিল না, তাই ‘দায়িত্ব’ নেয় বিরাট, ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিয়ে বীরু-উবাচ!








