নজরবন্দি ব্যুরোঃ আরপিএফ কর্মীদের উদাসীনতাই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী, দাবী তৃনমূলের। নিমতিতা স্টেশনে বোমাবাজির ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন-সহ তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা। এই ঘটনায় বিজেপির যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয় তৃনমূলের তরফে। এবার তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হল আরপিএফ-এর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাবি, এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী আরপিএফ কর্মীদের উদাসীনতা। বলা হয়েছে, মন্ত্রীর আসার কথা জেনেও স্টেশনে পড়ে থাকা সন্দেহভাজন ব্যাগটি সেখান থেকে সরায়নি আরপিএফ।
আরও পড়ুনঃ সেঞ্চুরি করলো পেট্রলের দাম! কেন্দ্র-রাজ্যের শুল্কের জাঁতাকলে পরে নাভিশ্বাস আমজনতার।


এই বিস্ফোরণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আরপিএফ। মালদহ ডিভিশনের সিনিয়র কমান্ড্যান্ট রাহুল রাজ জানান, “তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু রোডসাইড স্টেশন হওয়ায় আরপিএফ পোস্ট বা আউট পোস্ট কোনোটাই নেই ওই জায়গায়। তবে আরপিএফ জওয়ানরা ডিউটিতে থাকেন।“ এছাড়াও সিনিয়র কমান্ড্যান্ট রাহুল রাজ জানান, হামলার ঘটনার সময়ে তৎপর ছিলেন ওখানে উপস্থিত জওয়ানরা। বিস্ফোরণ হওয়ার সাথে সাথেই অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন আরপিএফ জওয়ানরা।
আরপিএফ কর্মীদের উদাসীনতাই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী, দাবী তৃনমূলের। ঘটনার দিন নিমতিতা স্টেশনে ভারচুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করেন রাজ্য রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। বিকেল ৪টের সময়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। সেদিনই রাতে কলকাতা উদ্দেশ্যে ট্রেন ধরার কথা ছিল জাকির হোসেনের। সেই খর আগে থেকেই ছিল আরপিএফ এর কাছে ।
সেই মতোই তারা স্টেশন মাষ্টারের থেকে ট্রেনের সময় জানেন বলে জানা গেছে। তাঁর মধ্যেই কর্মী সমর্থকেদের নিয়ে স্টেশনের দিকে চলে আসেন মন্ত্রী। এর মধ্যেই ঘটে যায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা। আরপিএফ তরফে জানানো হয়েছে, স্টেশনে আইনশৃক্ষলা রক্ষার দ্বায়িত্ব জিআরপি-এর। কারা কোন জিনিসপত্র কোথায় রাখছে তা নজর রাখার কথা তাদের। কিন্তু এই ঘটনার দায়ে সম্পুর্ণ ভাবে এড়িয়ে যেতে পারে না আরপিএফ। তাই সিআইডি তদন্ডের পাশাপাশি তদন্তে নেমেছে আরপিআফ জওয়ানরাও।









