নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরকাণ্ডের কেটে গিয়েছে একমাস। ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে র্যাগিংয়ের। এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আর জি কর হাসপাতালের হস্টেলে প্রাক্তনীদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের অভিযোগ। থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গলস ডক্টরস ফোরাম।
আরও পড়ুন: তদন্তের নামে হয়রানির অভিযোগ, ফাইল বিতর্কে কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ ED


আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ (R. G. Kar Medical College and Hospital) কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনায় অভিযোগ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোররাত তিনটে নাগাদ একদল প্রাক্তনী এবং বহিরাগতরা মানিকতলার বয়েজ হস্টেলে চড়াও হয়। পড়ুয়াদের ঘরের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে। যতক্ষণ দরজা খোলা হয়নি ততক্ষণ ধাক্কাধাক্কি চলেছে। এরপর প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের উপর মানসিক অত্যাচার করা হয়। এমনকি একটি ঘরের মধ্যে তাঁদের আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে এই অত্যাচার চলে। হস্টেল কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যেই বিষয়টি জানানো হয়েছে।

পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরুপ নিগমকে চিঠি দিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, গত সোমবার রাতে আরজি করের নতুন অধ্যক্ষকে কেন পড়ুয়ারা সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানিয়েছিল তা নিয়েই কয়েকজন প্রাক্তনী এসে চড়াও হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কে হস্টেলের পড়ুয়ারা।



উল্লেখ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রের রহস্যমৃত্যু গোটা বাংলায় সাড়া ফেলে দিয়েছিল। গত ৯ আগস্ট রাতে মেন হস্টেলের তিন তলার বারান্দা দিয়ে নিচে পড়ে যায় ওই পড়ুয়া। পরদিন ভোরে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের তরফে র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পুলিশ তদন্তে নেমে পড়ুয়া ও প্রাক্তনী মিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। তদন্তে র্যাগিংয়ের প্রমাণ মিলেছে বলেই জানানো হয়েছিল পুলিশের তরফে। এমনকি ঘটনার রাতে হস্টেলে নবাগত ওই পড়ুয়াকে যৌন নিগ্রহ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল।
যাদবপুরের ছায়া আর জি কর হস্টেলে, পড়ুয়াকে র্যাগিংয়ের অভিযোগ প্রাক্তনীদের বিরুদ্ধে








