নজরবন্দি ব্যুরো: গত সপ্তাহে কামদুনি মামলার রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের সাজা মকুব করা হয়েছে, কয়েকজনকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে। এই রায়ে অসন্তুষ্ট রাজ্য। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছে। হাইকোর্টের রায় নিয়ে ‘বিরক্ত’ খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এর জেরে বিপাকে পড়তে পারেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। মন্ত্রিসভার রদবদলে তিনি খোয়াতে পারেন আইন দফতর।
আরও পড়ুন: পুজোয় শাহকে চেয়ে সাধ পূরণ হল না বঙ্গ বিজেপির, কলকাতায় আসছেন JP Nadda


পুজোর আগে প্রতিবারের মতই মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বাড়িতেই একত্রিত হয়েছেন সব মন্ত্রীরা। এই মুহূর্তে মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কয়েকদিন আগেই এক ছোট রদবদল হয়েছিল। বাবুল সুপ্রিয় তাঁর একটি দফতরের দায়িত্ব হারান। গুরুত্ব বেড়েছিল বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। এবার দফতর হারাতে পারেন মলয় ঘটক। তবে এমন সিদ্ধান্তের কারণ কী? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কামদুনি গণধর্ষণ মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর তীব্র অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
![]()
মলয় ঘটক আগে পূর্তমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁকে আইন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বিগত কিছু সময় ধরেই অভিযোগ উঠছে, নিজের দফতর নিয়ে বেশ উদাসীন তিনি। নবান্নের অনেকের দাবি, বিভিন্ন কারণে আইন দফতর উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। সরকারের আইনি বিষয়আশয় দেখা ছাড়া বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় ও যোগাযোগ রেখে চলা আইন মন্ত্রীর কাজ বলেই মনে করা হয়। তাই এবার সেই সমস্যার সমাধান করা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।



কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে একাধিকবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। তাঁর কলকাতা ও আসানসোলের বাড়িতেও তল্লাশি হয়েছে। এরপর থেকেই মলয় ঘটককে অন্যান্য মন্ত্রীদের সঙ্গে খুব একটা দেখা যায় না। এরফলেই আইন দফতর কার্যত বেসামাল হয়ে পড়ছে বলে ধারণা অনেকের। শোনা যাচ্ছে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, তাঁকে আইন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
কামদুনির রায়ের জেরে মন্ত্রিসভায় রদবদল! আইনমন্ত্রী মলয়ের ভূমিকায় ‘অসন্তুষ্ট’ Mamata Banerjee









