নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাটনি খেতে ভালো লাগেনা এমন মানুষ হয়তো পৃথিবীতে খুব কম সংখ্যখই রয়েছে। ভোজে ভালো মন্দ খাওয়ার পর শেষ পাতে চাটনি না হলে ঠিক জমে না। আমের চাটনি হোক বা কুলের চাটনি কিংবা অন্য প্রদেশের অন্য চাটনি সব দেশেই কোন না কোন উপকরনের চাটনি খাওয়া আবশ্যিক। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন পিঁপড়ের চাটনীর কথা? শুনে থাকলেও কখনও কি চেকে দেখেছেন এই লোভনীয় খাদ্য!
আরও পড়ুনঃ ৪৮ বছর বয়েসে ফের কলেজে টুইঙ্কল! পড়াশোনা নিয়ে রীতিমতো ব্যাস্ত অভিনেত্রী


দক্ষিণ ভারতের আদে ইভরু মানবো এই ধরনের পিঁপড়ের চাটনি খেয়ে থাকেন। এই বিশেষ ধরনের পিঁপড়ের চাটনিটি আলু দিয়ে পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এই চাটনি টি দেখতে একেবারে গাজরের রঙের মত হয়। এটিকে ওই দেশের ভাষাতে সাভালি চাটনি বলা হয়ে থাকে। তবে আপনার হয়তো মনে হতেই পারে পিঁপড়ের এই অনবদ্য চাটনি শুধুমাত্র জঙ্গলের বাসিন্দারা খায়। কিন্তু না এই চাটনি বহু মানুষরাই খান। আসতে আসতে এটি বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

কিন্তু জানেন কি উত্তর কন্নড়ের সিদ্ধি গোষ্ঠীর এই খাবার কীভাবে বানায়? পিঁপড়ে দিয়ে বানায় সেটাতো আমরা সবাই জানি। কিন্তু তার সাথে কি কি উপকরণ লাগে তা কি জানেন? এই চাটনি কিন্তু বানানো হয় একেবারে লাল পিঁপড়ে দিয়ে। যাকে আমরা সাধারনত ভয় পাই। এই পিঁপড়ের চাটনি বানাতে গেলে আপনাদের একেবারে চলে যেতে হবে লাল পিঁপড়ের বাসার কাছে।


লাল পিঁপড়ার চাটনি! কি কি উপকরণ লাগে তা কি জানেন?

তার পর সেই লাল পিঁপড়ের বাসা খুঁজে সেই বাসা থেকে বড় পিঁপড়ে, বাচ্চা পিঁপড়ে, ডিম, ছানা সমস্ত ধরনের পিঁপড়ে গুলো একসাথে জড়ো করে ধরে আনতে হবে। এরপর সেই পিঁপড়ে গুলোর মধ্যে নুন দিয়ে দিতে হবে যাতে পিঁপড়ে গুলো মরে যায়। এরপর পিঁপড়ে গুলো মরে গেলে তেল দিয়ে সেগুলো ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এরপর তার মধ্যে একে একে আদা বাটা, কারি পাতা, রসুন বাটা, হলুদ, জিরে, সরষে সমস্ত কিছু দিয়ে একসঙ্গে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এরপর মিক্সিতে একসঙ্গে পেস্ট করলেই তৈরি হয়ে যাবে পিঁপড়ের সাভালি চাটনি।







