নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১২ ফেব্রুয়ারি আসানসোলের পুর নির্বাচনের আগে প্রচারে জোর দিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। শেষ মুহুর্তের প্রচারে নেমে শাসক দলের বিরুদ্ধে ঝাঁঝালো আক্রমণ সিপি(আই)এম নেত্রী মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ‘ভোট লুঠ করতে এলে হাতা-খুন্তি নিয়ে বুথগুলো আগলে রাখুন’।
আরও পড়ুনঃ Bengal tiger : ঠাকুরা নদীর চড়ে দেখা দিলেন বাঘমামা, আতঙ্কের পরিস্থিতি রায়দিঘিতে


আসনসোলের নির্বাচনের আগে ডামরাতে প্রচার সারছিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক। ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিপি(আই)এম প্রার্থী উৎপল রায় এবং ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী দোলন হেমব্রমের সমর্থনে প্রচার করেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, “এখন আসানসোল মানেই ভোট লুঠ। আসানসোলের নেতারা দুর্গাপুরে গিয়ে ভোট লুঠ করেন। দুর্নীতিতে ডুবে গেছে আসানসোল কর্পোরেশন। এখানকার ডেপুটি মেয়র কোভিডের সময় চাল চুরি করেছিল। তদন্ত কমিটি হল কিন্তু কোনও ফল বেরিয়ে এল না”।
একসময় আসানসোল শিল্পতালুক বামেদের দখলে ছিল। কিন্তু সময় বদলে সেখানে তৃণমূলের আধিপত্য বাড়তে শুরু করে। নির্বাচনের আগে বহু অভিযোগ এলেও জয় হয় তৃণমূলের। এমনকি জামুড়িয়াতে ঐশী ঘোষকে প্রার্থী করেও জয়ী হতে পারেনি তাঁরা। তাই পুরভোটের মাধ্যমে ভোট ঘোরাতে মরিয়া বাম শিবির। তুরুপের তাস মিনাক্ষী। তাঁর সংযোজন, নিজের ভোট রক্ষা করুন। ভোট লুঠ করতে এলে মা বোনেরা রান্নাঘরের হাতা খুন্তি নিয়ে বুথগুলো আগলে রাখুন। বুথে লুঠের বিরুদ্ধে শাসক দলের বিরুদ্ধে এভাবেই সুর চড়ালেন তিনি।
‘ভোট লুঠ করতে এলে হাতা-খুন্তি নিয়ে বুথগুলো আগলে রাখুন’, প্রতিরোধের আহ্বান মীনাক্ষীর

১২ ফেব্রুয়ারি আসানসোল সহ শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগরের নির্বাচন। কলকাতা পুরভোটের ট্রেন্ডকে ধরে রেখেই আগামী দিনে হালে পানি ফেরাতে মরিয়া বামেরা। তাই বিশেষ জোর দিয়েছে প্রচারে। কলকাতার পর শিলিগুড়ি এবং আসানসোলে কিছুটা হলেও বামেদের হাওয়া বইতে পারে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।










