নজরবন্দি ব্যুরোঃ বর্তমান সময়ে বাঘের তাণ্ডব কে কেন্দ্র করে একাধিকবার আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সুন্দরবন সংলগ্ন একাধিক এলাকায়। পূর্বে কুলতলি, চরগেরি, কুমিরমারির মতো একাধিক গ্রামে হটাৎ করে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ঢুকে পড়ায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় গোটা এলাকা চত্বরে। যাদের খাঁচা বন্দি করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় বনকর্মীদের।


ঘুম পাড়ানি গুলির পাশাপাশি বাঘিনীর আওয়াজ শুনিয়ে ও বাঘকে ধরতে বেগ পেতে হয় সকলকে। তার কয়েকদিন পরেই কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে পড়েন সুন্দরবনের এক মৎস্যজীবী। মূলত কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ঝিলার তিন নম্বর জঙ্গলের নিকটবর্তী নদী থেকে বাঘের মুখে পড়েন অরিন্দম বিশ্বাস। সেইরেষ কাটতে না কাটতেই এবার রায়দিঘির ঠাকুরা নদীর চড়ে দেখা দিলেন বাঘমামা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত কয়েকদিন ধরেই বাঘের অস্থিত্ব টের পাচ্ছিল সেখানকার মানুষ। তবে কারুর চোখে আসছিলনা কোনো কিছু। তবে আগামীকালই রায়দিঘির নদীর চড়ে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান গ্রামের মানুষ। যা দেখে রীতিমতো আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গোটা এলাকায়।
ঠাকুরা নদীর চড়ে দেখা দিলেন বাঘমামা, আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা

পরবর্তীতে রায়দিঘির দমকল গ্রাম চত্বরে গ্রামবাসীদের নজরে আসে দক্ষিণরায়। তবে সেখান থেকে গ্রামবাসীদের ধাওয়া খেতেই নদী পেরিয়ে গভীর জঙ্গলে ঢুকে যান বাঘমামা। তবে সাময়িকভাবে বাঘটিকে দূরে রাখা গেলেও আতঙ্কের পরিবেশ থেকে গিয়েছে দমকল গ্রাম চত্বরে।









