চরম বিদ্যুৎ সঙ্কট, কোথায়, কখন লোডশেডিং? জানানো হবে SMS

চরম বিদ্যুৎ সঙ্কট, কোথায়, কখন লোডশেডিং? জানানো হবে SMS
Extreme Electricity Crisis In Bangladesh When Is Load Shedding Will Be Notified Through Sms

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শ্রীলঙ্কার পর কি এবার বাংলাদেশ? মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয়েছে এলাকা ভিত্তিক লোডশেডিং। বাংলাদেশে দেখা দিয়েছে বিদ্যুতের চরম সঙ্কট। এই সঙ্কট মোকাবিলা করতে সারাদেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনও এলাকাতে টানা দুঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিদ্যুতের সঙ্কট থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। কিন্তু এর কারণ কি? হঠাৎ করে এই পরিস্থিতি কেন?

আরও পড়ুনঃ নেতা-মন্ত্রী দের জন্য ইডি’র হানা, দায়িত্ব নিলেন না মাননীয়া? কটাক্ষ সুজনের

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, কোথায় কখন লোডশেডিং করা হবে তা ঠিক করা হয়েছে। পুরো এলাকা একসঙ্গে বিদ্যুৎবিহীন করা হবে না। এলাকা ভিত্তিক সময় নির্ধারণ করে লোডশেডিং করা হবে। কোথায় কখন লোডশেডিং করা হবে তার একটি প্রাথমিক তালিকা করাও হয়েছে। আর কোথায় কখন লোডশেডিং হবে তা জানানো হবে SMS-র মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ দফতর। বিদ্যুৎ বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি Jahidul Islam এই নিয়ে বুধবারই একটি নির্দেশ জারি করেছেন।

curent 1

টানা লোডশেডিং হওয়ার জন্য দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ বাসিন্দাদের। ওই নির্দেশে, এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এই কারণে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থাগুলি। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, কোন এলাকায় যদি নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে লোডশেডিং হয় তাহলে গ্রাহকরা এলাকার Help Centre গুলিতে জানাতে পারবে। এই নিয়ে অভিযোগ জানানো হলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে ওই বিদ্যুৎ সংস্থা।

আগেই বিদ্যুৎ বাঁচাতে যে কোন উৎসবে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বাংলাদেশে। এবার, জ্বালানি তেলের লোকসান কমাতে সারাদেশে শিডিউল অনুযায়ী এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করা হবে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, রাত ৮টার পর থেকে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পাশাপাশি মসজিদে এসি বন্ধ রাখার জন্য বলেছেন তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী।

চরম বিদ্যুৎ সঙ্কট, শ্রীলঙ্কার পর কি এবার তাহলে বাংলাদেশ?

চরম বিদ্যুৎ সঙ্কট, কোথায়, কখন লোডশেডিং? জানানো হবে SMS

এই সময়ে বিদ্যুতের সঙ্কট মোকাবিলা করার জন্য জ্বালানি তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিত করা, সরকারি-বেসরকারি অফিসের কিছু কাজ ভার্চুয়ালি করা এবং সপ্তাহে একদিন করে পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়াও হয়েছে। কোন এলাকায় কবে পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকবে তাও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

সরকারি নির্দেশ মেনে, ঢাকার ও আশপাশের কিছু এলাকায় এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (DPDC)। তারা জানিয়েছে কোন এলাকায় কখন লোডশেডিং হবে, তা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।