নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যজুড়ে একের পর এক প্রতারণার ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে! আর এই প্রতারণার জেরে সাধারণ মানুষের খোয়া যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। একাধিক প্রতারণার ঘটনায় নাম জড়িয়েছে নেতা-মন্ত্রীদের। এহেন পরিস্থিতিতে ফের খাস কলকাতায় প্রতারণার পর্দা ফাঁস!
আরও পড়ুন: Durga Puja: দশভুজা-মহিষাসুরমর্দিনী নন, এখানে দেবী দুর্গা পূজিত হন হরগৌরী রূপে


সূত্রের খবর, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর থানা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতেরা হল তনভীর আলম, অশোক রায় এবং পাপাই শর্মা। এসএমএসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করত অভিযুক্তরা। আর ধৃতদের বেশিরভাগ সময় শিকার হত সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গর সেপ্টেম্বর মাসে ২৯ তারিখ গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর আসে যে, সল্টলেকে একটি প্রতারণা চক্রের হদিস মিলেছে। আর সেই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তরা বেছে বেছে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের শিকার বানাত। মূলত তারা এসএমএসের মাধ্যমে ওই সব সরকারি চাকরি প্রার্থীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলত। এরপর সরকারি দফতরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে টাকা আদায় করা হত। টাকা পেয়ে গেলে আর অভিযুক্তদের কোনও হদিস পাওয়া যেত না।



অবশেষে প্রতারিত নদিয়ার বাসিন্দা রসিদ মণ্ডল বিধাননগর দক্ষিণ থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি দাবি করে জানান যে, চাকরি পাওয়ার আশায় অভিযুক্তদের মোট ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেই সল্টলেকে তদন্তে নামে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। আর তদন্তে নেমেই এই প্রতারণা চক্রের হদিস পায় পুলিশ। এরপরেই প্রতারণার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই প্রতারণার সঙ্গে আর কারা জড়িত, কত জন প্রতারিত হয়েছেন, এই জাল কতদূর! বিস্তারিত খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
খাস কলকাতায় প্রতারণার পর্দাফাঁস, ঘটনায় সল্টলেক থেকে ধৃত তিন








