নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার পাঞ্জাবের ভাতিন্ডায় কর্মসুচী ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু গন্তব্যস্থলে যাওয়ার আগেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন আম জনতা। জনসভা বাতিল করে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তার গাফিলতির অভিযোগে পাঞ্জাব সরকারকে কাঠগড়ায় তোলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পাল্টা কংগ্রেসের দাবী আলগা নিরাপত্তা নয়, খালি চেয়ার সভা বাতিলের প্রধান কারণ।
আরও পড়ুনঃ Narendra Modi: মোদির নিরাপত্তায় গাফিলতি, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের


কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস সরকারকে দুষে নোংরা খেলা খেলছে বিজেপি। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য প্রায় ১০ হাজার আলাদা করে পুলিশ মোতায়েন ছিল। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ছিল এসপিজি এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরাও। তিনি আরও বলেন, ফিরোজপুরে নরেন্দ্র মোদির সভায় চেয়ার ফাঁকা দেখেই সভা বাতিল করেছেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, পাঞ্জাব সরকার চায় না পাঞ্জাবে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ হোক। তাই প্রধানমন্ত্রীকে শহীদ ভগত সিং অন্যান্য শহীদ প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির তরফে জানানো হয়েছিল রাস্তায় কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি নিরাপত্তায় বড়সড় গলদের প্রশ্ন তুলছে। এবিষয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি কোনও পদক্ষেপ নেননি। পাঞ্জাব পুলিশের তরফে আগেই থেকেই সভায় আগত সাধারণ মানুষকে আটকে দেওয়া হচ্ছিল।
খালি চেয়ার দেখেই প্রধানমন্ত্রীর সভা বাতিল, দাবী কংগ্রেসের
পাল্টা সুরজেওয়ালার জানিয়েছেন, ওই জায়গায় কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত দুই দফায় তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের দাবী, অজয় মিশ্র টেনিকে সাসপেণ্ড করতে হবে। দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, সহ সমস্ত কৃষকদের ওপর যে মিথ্যা মামলা রয়েছে তা তুলে নিতে হবে। এমএসপির সুনিশ্চিতকরণের বিষয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। শহীদ ৭০০ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।









