নজরবন্দি ব্যুরো: নতুন বছরে ‘দাবাই ভি, কড়াই ভি’, ‘‘করোনার টিকাকরণ কর্মসূচির প্রস্তুতি শেষধাপে। ভারতে তৈরি টিকাই সাধারণ মানুষ পাবেন।’’ এই সূত্র ধরেই মোদীর সতর্কবার্তা, ‘‘আমি আগে বলেছিলাম, ‘যব তক দাবাই নেহি, তব তক ঢিলাই নেহি’ কিন্তু ২০২১ সালে আমাদের মন্ত্র হবে, ‘দাবাই ভি, কড়াই ভি’। অর্থাৎ টিকার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আজ রাজকোট AIIMS শিল্যানাসে স্বাস্থ্যকর্মী-চিকিৎসকদের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আরও পড়ুনঃ ৩১ শে জানুয়ারি টেট, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের।


বৃহস্পতিবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজকোটে এইমসের শিলান্যাস করেন মোদী। বর্ষশেষের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নতুন স্লোগান দেন, ‘দাবাই ভি, কড়াই ভি।’ অর্থাৎ, টিকা নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে। সেখানেই তিনি দাবি করেন, ভারতে করোনাভাইরাসের টিকাকরণের প্রশাসনিক কাজকর্মের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। নয়া স্ট্রেন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী বললেন, টিকাকরণের পরেও করোনা বিধি পালনের সতর্কবার্তা মেনে চলতে হবে ।
এদিন তিনি আরও বলেন ,’দেশের চিকিৎসা শিক্ষার বদল আনতে মিশন নিয়ে কাজ চলছে। গুণগত মান বাড়াতে কাজ করা হবে। প্রতি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটা মেডিক্যাল কলেজ গঠন হোক। তাই গত ৬ বছরে মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।’ তাঁর দাবি, ‘২০২০ স্বাস্থ্য প্রতিবন্ধকতার সাল হলে, ২০২১ স্বাস্থ্য সমাধানের বর্ষ।’
নতুন বছরে ‘দাবাই ভি, কড়াই ভি’, এই বছরে বিশ্ব স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বেশি সজাগ হয়ে সমাধানের জন্য কাজ করবে। ২০২০ সালে স্বাস্থ্য প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়তে ভারত যেভাবে কাজ করছে, তা বিশ্ব দেখেছে। স্বাস্থ্যের ভবিষ্যৎ আর ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য, এই দুটো ক্ষেত্রে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। মোদি বলেন, চাহিদা অনুসারে দত্তক, অভিযোজন আর প্রসার কী করে করা যায়, ভারত শিখিয়েছে বিশ্বকে।


সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে আমরা মানবতার সেবা করেছি। এখন ভারতের সেবার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্যের কেন্দ্র হয়ে উঠছে ভারত। এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর পরামর্শ, ‘সব ছেড়ে আগে শরীর নিয়ে ভাবতে হবে। আমরা সুস্থ থাকলে, দেশ সুস্থ থাকবে।’ নিজেদের ফিট রাখুন, দেশকেও ফিট রাখুন’।







