নজরবন্দি ব্যুরো: গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। প্রথম দিন থেকেই মণিপুর ইস্যুতে শোরগোল পড়েছে দুই কক্ষেই। মোদী সরকারের জবাব দাবি করেছে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠকে বসেছে সরকার পক্ষ। মূলত বিরোধীদের বিরুদ্ধে কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, তা নিয়েই আলোচনা হবে।
আরও পড়ুন: সেই একঘেয়ে পঞ্চায়েত মামলা! আবার নতুন আবেদন শুনে বিরক্ত প্রধান বিচারপতি
চলতি বছরের বাদল অধিবেশন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে প্রায় ৩০ টি বিল পাশ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। কিন্তু মণিপুর ইস্যুতে আলোচনা চেয়ে প্রথম দিন থেকেই (২০ জুলাই) সরব বিরোধীরা। সংসদের দুই কক্ষ- লোকসভা ও রাজ্যসভায় কার্যত অচল অবস্থা দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতেই রণকৌশল চুড়ান্ত করতেই এদিন বৈঠকে বসেছে কেন্দ্র। এর নেতৃত্বে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, অনুরাগ ঠাকুর, নীতীন গড়করি সহ প্রমুখ।

সূত্রে খবর, সংসদের বাদল অধিবেশন যাতে সুষ্ঠুভাবে চালানোর আবেদন জানিয়ে বিরোধী দলের নেতাদের এক এক করে ফোন করছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও তাঁর ফোন গিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল সাংসদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ না মণিপুর ইস্যুতে জবাব দিচ্ছেন, বিরোধীরা তাঁদের অবস্থান থেকে সরবে না।

উল্লেখ্য, অধিবেশন শুরুর আগে গত ১৯ জুলাই সর্বদলীয় বৈঠক করে কেন্দ্র। রাজনাথ সিং, আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, আম আদমি পার্টি সঞ্জয় সিং, শিরোমণি আকালি দলের তরফে হরসিমরত কৌর বাদল সহ বিরোধী দলগুলির অনেকেই প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ওই বৈঠকে। জানা গিয়েছে,ওই বৈঠকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক সহ কয়েকটি দলের নেতৃত্ব দেশ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছে।
INDIA জোটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কীভাবে? মোদীর নেতৃত্বে বৈঠকে সরকার পক্ষ




