নজরবন্দি ব্যুরো: মঙ্গলবার গভীর রাত আড়াইটে নাগাদ মহারাষ্ট্রের গোন্দিয়া শহরে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীবাহী ট্রেনটির নাম ‘ভগৎ কি কোঠী’।প্রাথমিক তদন্তের পর রেলের আধিকারিকরা মনে করছেন, সবুজ সিগনাল না মেলাতেই মুখোমুখি ধাক্কা লাগে এবং যাত্রীবাহী ট্রেনটির তিনটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন:মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলছে, অভিষেকের পোস্টার নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের


এখনো পর্যন্ত কারুর মৃত্যুর খবর সামনে আসেনি। তবে, আহত হয়েছেন ৫৩ জনের এবং এরমধ্যে ১৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়াও ১৩ জনের অল্প-বিস্তর আঘাত পেয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।তাদেরকে গোন্দিয়ার সরকারি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। তারমধ্যে কয়েক জন ভর্তি রয়েছেন স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে।

এই দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সেখানে তড়িঘড়ি গিয়ে উপস্থিত পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল। শুরু হয় উদ্ধার কাজ । একে একে ট্রেনের কামরা থেকে বের করে নিয়ে আসা হয় আহত যাত্রীদেরকে । তারপর সকলকেই পাঠানো হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সিগন্যালের গোলযোগের কারণে এই ট্রেন দুর্ঘটনার ফলে বেশ কিছুক্ষণ ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত থাকে ওই লাইনে।
মহারাষ্ট্রে যাত্রীবাহী ট্রেনের সাথে মালগাড়ির মুখোমুখি ধাক্কা, আহত ৫৩জন



স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এরপর রেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল আধিকারিকরা। রাত সাড়ে ৪টে নাগাদ বগিগুলিকে লাইনে তোলা হয়। ৫ টা ২৪ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি ফের গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়। ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে স্বাভাবিক হয় রেল চলাচল মহারাষ্ট্রে।যাত্রীদের নিরাপদে ট্রেন থেকে বার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয় রাতেই। এখন দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে রেল কর্তৃপক্ষ। সিগন্যাল গোলযোগের জন্যই কি দুর্ঘটনা? না রয়েছে অন্য কারণ, সেই তদন্তই এখন করছে রেল কর্তৃপক্ষ।







