নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৮ নয় ২২ বছর পর্যন্ত ছেলের সমস্ত দ্বায়িত্ব নিতে হবে বাবা-মাকে, রায় সর্ব্বোচ্চ আদালতের। ২১ বছরের আগে অর্থাৎ স্নাতক স্তরকে শিক্ষার মাপকাঠি হিসেবেই রাখা হয়েছে। তাই এই সয়ম পর্যন্ত সন্তানের খেয়াল রাখতে হবে বাবা-মাকে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি এমআর শাহের একটি বেঞ্চ পারিবারিক আদালতের একটি রায়ের পুনর্বিবেচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, ‘ মাত্র ১৮ বছর পর্যন্ত ছেলের জন্য আর্থিক ব্যয় যথেষ্ট নয়।
আরও পড়ুনঃ কলকাতায় মোদি, শিলিগুড়িতে দিদি! জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ‘সিলিন্ডার মিছিল’ মমতার।


কারণ, কলেজের পড়াশোনা তখনও পর্যন্ত শেষ হয়না। কলেজ ডিগ্রি তখনও পর্যন্ত পায়না ছেলে। ফলে চাকরি পেতে আরও বেশ কিছু সময় লাগে তার। তাই সেই বয়সের সময়সীমাকে বাড়িয়ে ২১ বছর পর্যন্ত করল শীর্ষ আদালত।’ কর্নাটকের এক পরিবারকে ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়া নির্দেশ দেয় পারিবারিক আদালত।
তিনি সেই অর্থ দিতে রাজি হননি। কর্ণাটকের সেই কর্মচারী সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হন। সেখানে তিনি জানান, স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক থাকার কারণে ২০০৫ সালের জুন মাসে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তখন তিনি জানতেন না যে ছেলের ভরণপোষণের ভার তাকে নিতে হবে। বিবাহবিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন ওই কর্মচারী।
এবং তার দুটি সন্তানও আছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তিনি জানান, তাঁর মাসিক বেতন যা, তার পক্ষে ২০ হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তার কোনও কথায় কর্ণপাত করেনি সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বেঞ্জ জানিয়েছে, এতে প্রথম পক্ষের সন্তান কী দোষ? তাঁর যত্ন নিতে বাবা বাধ্য।


১৮ নয় ২২ বছর পর্যন্ত ছেলের সমস্ত দ্বায়িত্ব নিতে হবে বাবা-মাকে, রায় সর্ব্বোচ্চ আদালতের। এরপরই, সুপ্রিম কোর্টের পরিবার আদালত এই মামলার পুনর্বিবেচনা করে। এবং সুপ্রিম কোর্ট জানিয়য়েছে, আর ১৮ নয়, ২১ বছর পর্যন্ত ছেলের দেখাশোনার সমস্ত দায়িত্ব নিতে হবে বাবা-মাকে।







