নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, সে পুজো হোক বা অন্য কোন উৎসব সেলিব্রেশন হবেই আর তাতে মদ থাকবেই। তাই গত কয়েক বছরের রেকড় বলছে বাংলায় মদ (Liquor) বিক্রি হয়েছে কল্পনারও অতীত। এবারও তার বিকল্প হল না, বর্ষশেষে বিপুল অঙ্কের মদ বিক্রি হল রাজ্যে। সেইসঙ্গে অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থা সুইগির হিসেব বলছে, গোটা দেশে এবার বর্ষবরণের রাতে দেদার বিক্রি হয়েছে কন্ডোম।
আরও পড়ুনঃ ভারতীয় দলে দ্রাবিড় যুগের অবসান? কে হতে চলেছে রোহিতদের পরবর্তী স্যার


২৪ ডিসেম্বর-১ জানুয়ারি—এই ন’দিনে রাজ্যে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৭২০ কোটি টাকার মদ। অর্থাৎ দিনে গড়ে ৮০ কোটি টাকার মদ বিকিয়েছে রাজ্যে। আবগারি দফতর সূত্রে খবর, সবচেয়ে বেশি মদ বিক্রি হয়েছে ২৫, ২৬, ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি। এবার বড়দিন এবং বর্ষবররণ দুটোই পড়েছিল রবিবার, আর এই দুই দিনই অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি ছিল রবিবার।

ক্রিসমাস এবং নিউ ইয়ারের সঙ্গেই মিশে গিয়েছিল উইকএন্ডের মজাও। তাই বিক্রিও লাফিয়ে বেড়েছে বলে মত অনেকের। গত বছর এই ন’দিনে ৬৫০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছিল। এবার অতিরিক্ত ৭০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে রাজ্যে। আর এই মদ বিক্রিতেই বাড়ছে রাজ্যের রাজস্ব। আবগারি দফতরের আয় থেকেই ফুলেফেঁপে উঠছে কোষাগারও।

শুধু মদ না, মদের পাশাপাশি কন্ডোম বিক্রিতেও বাজার মাত হয়েছে। নববর্ষে ‘কাঁপিয়ে’ বিক্রি হয়েছে কন্ডোমের! ৩১ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শুধু সুইগিতেই ২৭৫৭ টি ডিউরেক্স কন্ডোম অর্ডার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর তাতেই মজার ছলে এই সংস্থাটি লেখে, “দয়া করে আরো ৪ হাজার ২১২ প্যাকেট অর্ডার করুন, যাতে সংখ্যাটা ৬৯৬৯ হয়ে যায়, আর আমরা বলতে পারি, ‘দারুণ’!”


বর্ষশেষে দেশে শুধু কন্ডোম নয়, বাংলার মদেও হল বিরাট লক্ষ্মীলাভ

প্রসঙ্গত, একটি বিশেষ যৌন পজিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকায় ৬৯ (69) সংখ্যাটি নিয়ে হাসাহাসি করেন নেটিজেনরা। সুইগিকেও একই রাস্তায় হাঁটতে দেখে মজা পেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু আরও মজা বাকি ছিল।সুইগির টুইটটির উত্তরে ডিউরেক্স লেখে, ‘ডেলিভারি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা জানি, অন্তত ওই ২৭৫৭ জন ‘কাঁপিয়ে’ নববর্ষ উদযাপন করছে।’ এখানেই শেষ নয় ডিউরেক্স আরও লেখে, ‘আশা করি ওঁরা কাল সকালে একসঙ্গে কফি অর্ডার করবেন।’ সুইগি এবং ডিউরেক্সের এই সুন্দর অর্থবাহী দুষ্টু-মিষ্টি বার্তালাপ দেখে হেসে লুটিয়ে পড়ছেন নেটিজেনরা।







