নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতিবছর ২১ শে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেস শহীদ দিবস পালিত করেন। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসা। তবে ১২ বছর পরেও তিনি ভুলতে পারেননি সেই দিনটি। জানেন ঠিক কি কি হয়েছিল সেই দিন? যার কারনে এখনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তা ভুলতে পারেননি।
আরও পড়ুনঃ ডিম-ভাত তো আছেই, এবার একুশে জুলাই উপলক্ষে বিশেষ আকর্ষণ ‘মজা সুপারি, ভাগা পান’


সেই সময় প্রদেশ কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী ছিলেন সেই দিন বেলা ১১টা ৩০ এর সময় বাড়ি থেকে তিনি বেড়িয়ে গিয়েছিলেন মেয়ো রোডের মোড়ে। সেখানে উপস্থিত ছিল লক্ষাধিক মানুষ। সেই সময় সেখানকার মানুষেরা বেশ উত্তেজিত ছিল। সেই সময় মমতা ব্যানার্জি জানতে পারেন কিছুক্ষণ আগেই পুলিশ নির্মম ভাবে কংগ্রেস নেতা পঙ্কজ ব্যানার্জিকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন। সেই রণক্ষেত্র সামলানোর জন্য জননেত্রী মমতা ব্যানার্জি তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ কথা শুনতে নারাজ।

সভা চলাকালীন পুলিশ নেতাদের গায়েও পর্যন্ত হাত তুলেছিল। কেটে দিয়েছিলেন মাইকের তারও যাতে কোনরকম বার্তা সাধারন মানুষদের কাছে না পৌছায়। পুলিশ সেই সময় কংগ্রেস কর্মীদের করার আপ্রাণ চেষ্টা করছিল কিন্তু এত জনস্রোত হয়ত এভাবে আটকানো সম্ভব নয়। এর পর খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মঞ্চে পৌছাতেই সিপিএম ক্যাডাররা তাকে তাক করে ইটবৃষ্টি শুরু করে। তবে পুলিশ সেই সময় সিপিএমদের না আটকে তাদের উদ্দেশ্যেই চরাও হন।
১৯৯৩-র ২১ জুলাই দিনটিকে আজও ভোলেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, আসুন ফিরে যাওয়া যাক সেই সময়
সেই সময় পুলিশ গুলিও চালায় কংগ্রেস কর্মীদের উদ্দেশ্যে। যার জেরে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। এমনকি সেই সময় আহত হন খোদ মমতা ব্যানার্জি। তারপরেও সাধারন মানুষদের কথা ভেবে মমতা বলেছিল ” আমাকে মেরে যদি শান্তি পান তো মারুন কিন্তু নিরীহ মানুষের ওপর গুলি চালাবেন না” ঠিক সেই সময় থেকেই উথ্থান শুরু হয়েছিল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর। ঠিক তার ৪ বছর পড়ে ১৯৯৮ সালে সূচনা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের। সেই কারনেই প্রতিবছর ২১শে জুলাই শহিদ দিবস হিসাবে পালন করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।









