নজরবন্দি ব্যুরো: উদ্বোধন হল নতুন সংসদ ভবনের। আগে থেকেই কটাক্ষ চলছিল বিরোধীদের। রবিবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরও যেন বিতর্কের রেশ কমছে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর বিজেপি সরকারকে একের পর এক আক্রমণ করছে বিরোধী দলগুলি। এমনকি নতুন সংসদ ভবনকে কফিনের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
আরও পড়ুন: মোদীর অনুরোধে দিলেন কণ্ঠ দিলেন বাদশা, উদ্বোধন হয়ে গেল নতুন সংসদ ভবনের


রবিবার, ২৮ মে পুজো ও হোম যজ্ঞের মাধ্যমে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, আপ সহ মোট ২০ টি বিরোধী দল। কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে কেন্দ্রকে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ একটি টুইট করেছেন। সেখানে ২৮ মে কি কি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “১.আজকের দিনে ১৯৬৪ সালে নেহেরু, যিনি ভারতে সংসদীয় গণতন্ত্রকে লালন করার জন্য সবথেকে বেশি কাজ করেছিলেন, তাঁকে দাহ করা হয়েছিল।

২. সাভারকর, যার আদর্শ এমন পরিবেশ তৈরি করেছিল যা মহাত্মা গান্ধীর হত্যা ডেকে এনেছিল। তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৮৮৩ সালে।
৩. রাষ্ট্রপতি যিনি এই পদে বসা প্রথম আদিবাসী, তাঁকে তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকে ২০২৩-এ নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করতে দেওয়া হয়নি।


৪. এক আত্মমুগ্ধ, কর্তৃত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী, যিনি খুব কমই সংসদে যান বা এর কার্যক্রমে অংশ নেন, ২০২৩ সালে নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন করলেন।”

নতুন সংসদ ভবনকে কফিনের সঙ্গে তুলনা করেছে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডি। এদিন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তরফে একটি কফিন এবং নতুন সংসদ ভবনের ছবি টুইট করা হয়। ক্যাপশনে প্রশন তোলেন। “ইয়ে কেয়া হে?” এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে বলছেন, “নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠান বয়কট করাটা আমার কাছে বেদনাদায়ক। গণতন্ত্র মানে তাতে বিরোধী দল থাকে। নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধীরা ছিল না। এর আগে বহু বিলের ক্ষেত্রে সরকার বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। এই ক্ষেত্রেও তা করতে পারত।”
উদ্বোধনের পরও নতুন সংসদ ভবন ঘিরে বিতর্কের ঝড়! তুলনা কফিনের সঙ্গে








