নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ এর লক্ষ্য নবান্ন। নীল সাদা বাড়ির লক্ষ্যে রাজ্যের সকল রাজনৈতিক দল নিজেদের মতো করে শুরু করেছে নির্বাচনী প্রচার। কেউ বা শেষ মুহুর্তে এসে কাজে লাগাচ্ছেন মানুষের আবেগকে। কেউ বা মাস্টারট্রোক খেলছেন প্রার্থী নির্বাচনে। এই পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী সহ বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রী দফায় দফায় আসছেন বাংলায়। আর এবার বাংলা নির্বাচনে এক্সট্রা মার্কস কুড়িয়ে নিতে বাংলাদেশ যাচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।মতুয়া আবেগ কাজে লাগাতে মোদীর বাংলা ভোটের তাস বাংলাদেশ!
আরও পড়ুনঃ সফল ব্রিগেডের লক্ষ্যে বাতিল অমিতের বঙ্গ সফর, বদলে রাজ্যে আসছেন যোগী।


প্রসঙ্গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকা পৌঁছবেন এবং পরের দিন তিনি ফিরবেন নিজের দেশে। বাংলাদেশ প্রশাসন সূত্রে খবর, ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী।বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় মোদির সফরের পরিকল্পনার ব্যাপারে বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে সূত্রের খইবর বাংলাদেশ ভ্রমণের সময়ই আরও একটি কাজ সেরে আসতে পারেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
টুঙ্গিপাড়া থেকেই তিনি যেতে পারেন ওড়াকান্দি। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এই গ্রামে একটি মন্দির রয়েছে, যা মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে সর্বোচ্চ তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচিত। মোদি সেখানে গিয়ে হরিচাঁদ-গুরুচাঁদকে প্রণাম করে আসবেন বলে খবর। আর তাতে যে বাংলায় মতুয়া ভোটের এফেক্ট আসবেই তা বলা বাহুল্য। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি কেন্দ্রের তরফ থেকে।
মতুয়া আবেগ কাজে লাগাতে মোদীর বাংলা ভোটের তাস বাংলাদেশ! তবে মোদীর ওড়াকান্দি যাওয়ার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি দেখছে রাজনৈতিক মহল। গত লোকসভা ভোটে মতুয়াদের নাগরিকত্বের দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোকসভায় এই সম্প্রদায়ের ঢালাও ভোট পেয়েছে বিজেপি। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচিত হয়েছেন হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের উত্তরসূরি শান্তনু ঠাকুর। কিন্তু এখন শান্তনু আর বিজেপির সম্পর্ক খুব একটা ভালো চলছ না। নাগরিকত্ব বিলের প্রতিশ্রুতি এলেও কোন সমাধান আসেনি। একাধিক কেন্দ্রীয় নেতাদের আসাতেও ক্ষোভ প্রসমিত হয়নি মতুয়া সম্প্রদায়ের। সেদিক থেকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মোদীর এই মতুয়া তীর্থ ভ্রমণ যথেষ্ট তাৎপর্যপুর্ন বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।









