নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রামে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ চার মাস পর সোমবার সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে পেশ হবে নন্দীগ্রাম মামলা। যেখানে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দুর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ওপরেই নির্ভর করছে মামলার ভবিষ্যত। প্রয়োজনে ফের পিছোতে পারে মামলার শুনানি। মনে করছেন আইনি বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুনঃ বহিরাগতদের রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছেন মমতা, বাঙালির কী লাভ? প্রশ্ন শুভেন্দুর।


২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের এপিসেন্টার ছিল নন্দীগ্রাম। সেখানে মুখোমুখি হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘ সময় ধরে মমতার অগ্রজ থাকার পর মমতা যখন শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই লড়াই ঠিক করলেন তখন থেকেই বাড়ে নির্বাচনী উত্তাপ। গুটি কয়েক ভোটে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টে গড়ায় নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি। কিন্তু বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে সেই মামলা গড়ালে তীব্র বিরোধিতা করেন আবেদনকারী তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ বিজেপির একাধিক কর্মসুচীতে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে কৌশিক চন্দকে। তাই বিচারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকার জরিমানা ঘোষণা ক্করে ওই বেঞ্চ থেকে অব্যহতি নেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।
লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দুর, এখনও হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম

পরের মাসে মামলা গড়ায় বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে। কিন্তু বেঞ্চ বদল নিয়ে আপত্তি জানান নন্দীগ্রামে বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। হাই কোর্টের ওপর অনাস্থা জানিয়ে সুপ্রিম দ্বারস্থ হন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হোক নন্দীগ্রাম মামলা সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন রাখেন শুভেন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে হাইকোর্টে মামলার মুলতুবী ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। সোমবার রয়েছে সেই মামলার শুনানি।


একইদিনে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে হতে চলেছে মামলার শুনানি। আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চললে হাইকোর্টে শুনানির সম্ভাবনা কম। সেক্ষত্রে ফের মেয়াদ বাড়তে পারে নন্দীগ্রাম মামলার।







