সন্দেশখালিকাণ্ড প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে সরাসরি দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার আরামবাগের সভা থেকে মোদি বললেন, সন্দেশখালির ঘটনায় গোটা দেশ দুঃখিত। পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, “সন্দেশখালি মমতার থেকে সাহায্য চেয়েছিল, এই ঘটনায় দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে তৃণমূল সরকার”।
আরও পড়ুন: দলে বয়স নীতি কার্যকর করতে চান অভিষেক, অভিমানেই কি রাজনীতি থেকে সরছেন সৌগত?


সন্দেশখালির ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। যে ঘটনার আঁচ পড়েছে দেশজুড়ে, এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী। আরামবাগের ‘বিজয় সংকল্প’ সভা থেকে মোদি বললেন, “সন্দেশখালির ঘটনা গোটা দেশ দেখেছে। বাংলার বোনদের সম্মানহানি করেছে তৃণমূল। সন্দেশখালি মমতার কাছে সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু, মহিলাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বাংলার সরকার। বাংলার পরিস্থিতি গোটা দেশ দেখতে পাচ্ছে। দুঃসাহসের সীমারেখা অতিক্রম করে গিয়েছে তৃণমূল।”

বৃহস্পতিবার ভোররাতে গ্রেফতার হয়েছেন সন্দেশখালিকাণ্ডের মূল মাস্টারমাইন্ড শেখ শাহজাহান। প্রায় ৫৫ দিন পর মিনাখাঁ থেকে তাঁকে আটক করেছে পুলিশ। শাহজাহানের গ্রেফতারির প্রসঙ্গে এদিন নরেন্দ্র মোদি বলেন, “তৃণমূলের নেতাকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। বিজেপির ভয়েই এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হল।” আরামবাগের সভা শেষ করে রাজভবনের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।



সন্দেশখালির ঘটনায় গোটা দেশ দুঃখিত, তৃণমূল শাসনকে কটাক্ষ মোদির
শুক্রবার আরামবাগে বেশ কয়েকটি সরকারি প্রকল্পের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যার মধ্যে রয়েছে, সিলিন্ডারে এলপিজি গ্যাস ভরার প্রকল্প (এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট), কলকাতা বন্দরের নতুন কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প। পাশাপাশি, রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পেরও সূচনা করেছেন তিনি।









