২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, এবার মহার্ঘ্য হতে চলেছে জীবনদায়ী ওষুধ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, এবার মহার্ঘ্য হতে চলেছে জীবনদায়ী ওষুধ। পেট্রোল-ডিজেল থেকে শুরু করে এলপিজি-কেরোসিন চরম মূল্যবৃদ্ধিতে হাঁসফাঁস অবস্থা দেশের সাধারণ মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জিনিসগুলির দাম কমার অপেক্ষায় সবাই। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে দাম বাড়তে চলেছে মানুষের জীবনের অন্যতম আবশ্যক জিনিস জীবনদায়ী ওষুধের। তাও আবার একধাক্কায় ২০ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি মানুষকে ধমকায়, চমকায়! ক্ষমতায় এসে আরও ‘ডিসিপ্লিনড’ বাংলা তৈরি করবেন মমতা

গতকাল জাতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে যে, সরকার ওষুধ প্রস্তুতকারীদের পাইকারি মূল্য সূচকে । ( হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স) ০.৫ শতাংশ হারে বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে।ব্যথানাশক, অ্যান্টিনোফ্ল্যাটিভ, কার্ডিয়াক এবং অ্যান্টিবায়োটিক সহ প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম এপ্রিল থেকে বাড়তে পারে। তাঁরা জানিয়েছেন ওষুধ উৎপাদনের পেছনে ব্যয় বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। তবে এতদিন সরকার বিক্রিমুল্য বাড়ানোর অনুমতি দেয়নি। তবে এবার সেই অনুমতি পাওয়ায় ওষুধের দাম ২০ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে তারা। প্রসঙ্গত এই হোলসেল প্রাইস ইনডেক্সের প্রতি বছর নির্ধারিত ওষুধের দাম বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়।

এদিকে কার্ডিও ভাস্কুলার, ডায়াবেটিস, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি-ইনফেকটিভস এবং ভিটামিন কে ছাড়াও কিছু অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদানগুলির জন্য ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ চীনের উপর নির্ভর করতে হয় ভারতকে। তবে এবছর অতিমারী আসায়া ওষুধের উপাদান সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোকে প্রবল সমস্যার মুখে পড়তে হয়। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ শুরু করলে চীন দামের দাম ১০-২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। ফলে ভারতীয় ওষুধ আমদানিকারকদের উপাদান সংগ্রহ করতে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। কারণ বিশেসজ্ঞরা জানাচ্ছেন ওষুধের কাঁচামালগুলি জার্মানি এবং সিঙ্গাপুর থেকেও আসে, তবে চীনের তুলনায় এগুলির দাম বেশি।এ কারণেই বেশিরভাগ সংস্থা চীন থেকে কাঁচামাল কেনে।অ্যান্টিবায়োটিকের বেশিরভাগ কাঁচামালও চীন থেকে আসে। প্রসঙ্গত এবছর সরকার হেপারিন ইঞ্জেকশনের দামও বাড়িয়েছে।যা কোভিড-১৯ এর চিকিত্সায়ও ব্যবহৃত হয়।

২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি, এবার মহার্ঘ্য হতে চলেছে জীবনদায়ী ওষুধ। গত বছর জুনে, চীন থেকে আমদানি করা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান (এপিআই) দাম বাড়ার পর বেশ কয়েকটি সংস্থার অনুরোধের পরেও সরকার হেপারিনে ৫০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির অনুমতি দিয়েছে। তবে ওষুধের মত অতিপ্রয়োজনীয় দাম বৃদ্ধিতে মাথায় হাত পরেছে সাধারণ মানুষের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত