নজরবন্দি ব্যুরো: ২০২১ এর বঙ্গ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে জয়ী হবার পর, এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান লক্ষ্য দিল্লি। আর এই লক্ষ্যে এগোতেই এবার বাংলা ছেড়ে ভিন রাজ্যে নিজেদের সংগঠনকে বাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে তৃণমূল। আর সেই জন্যই তাদের পাখির চোখ ত্রিপুরা এবং আসাম।
আরও পড়ুনঃ বিনা যুদ্ধে পঞ্জশির দখল নয়, তুমুল লড়াই মাসুদ-বাহিনীর


মাস খানেক ধরেই তৃণমূলের নেতারা ত্রিপুরা যাচ্ছেন এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরায় গিয়েছিলেন। আর ত্রিপুরার বর্তমান সরকার বিজেপ। ফলে ত্রিপুরায় গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতাদের বিভিন্ন ভাবে হ্যারাস করা হচ্ছে, তাঁদের কোন আন্দোলন করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদেরকে বিভিন্ন নিয়ম দিয়ে আটকে রাখা হচ্ছে অ্যারেস্ট করা হচ্ছে।

আর এসবের মধ্যেই ত্রিপুরা সিপিআইএমের সঙ্গে তৃণমূলের জোট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে জল্পনা। আর সেই জল্পনাকে আরো একটু উস্কে দিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষিয়ান নেতা মানিক সরকারের একটি মন্তব্য। ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক অরুণ ভৌমিক কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন তৃণমূলকে। তিনি তালিবানি আক্রমণ ও হাড়গোড় ভেঙে দেওয়ার নিদান দেন।



আর এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি বলেন, ‘হাতমুখ ভেঙে দেবেন এই মন্তব্য, হুমকির মধ্যেও যাঁরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন তাঁদের আমি কুর্নিশ জানাই। সাহস আছে। মাথানত করছেন না। আর যিনি এই হুমকি দিচ্ছেন সেটা তাঁর দুর্বলতা। ভয় পেয়ে যাচ্ছেন। জনবিচ্ছিন্নতার ভুগছেন বলে এমন মন্তব্য করছেন।’
তবে কি ত্রিপুরাতে বামদের সাথে জোটের পথে তৃণমূল? কয়েক সপ্তাহ আগেই এ প্রসঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বাম নেতা মানিক বাবু বললেন, ‘আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতে হবে। ত্রিপুরার রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর ভাবনা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেবে দল।’

উল্লেখ্য কিছু দিন আগেই বিমান বসু জানিয়েছিলেন, ‘জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপিকে ঠেকাতে বামেরা তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলাতে পিছপা হবে না।’
ত্রিপুরাতে তৃণমূলের আন্দোলনকে কুর্নিশ মানিক সরকারের! ফের জোট নিয়ে জল্পনা বাড়ালেন তিনি
বিমান বাবুর কথায়, ‘বিজেপি ছাড়া অন্য যে কোনও দলের সঙ্গে আমরা কাজ করতে প্রস্তুত। বিজেপিকে হারাতেই হবে।’ অবশ্য বিমান বাবুর এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন অনেক বাম নেতা।







