নজরবন্দি ব্যুরোঃ এরই মধ্যে বিপ্লব দেবের ইস্তফার এখনও ২৪ ঘন্টা কাটেনি। এরই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন সাহা। গতকালই পরিষদীয় দলের বৈঠকের পর রাজ্যপাল এসএন আর্যর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন তিনি। নির্বাচনে বাকি ১০ মাস, সদ্য রাজ্যসভার সাংসদ পদে নির্বাচিত এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতিকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নিলেন পরিষদীয় দলের নেতারা। যদিও সমর্থন নিয়ে জল্পনা বিস্তর রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Tripura: ত্রিপুরায় ‘মাণিক’ এল ফিরে, এবার বিজেপির


গতকাল বিকেলেই সকলকে চমকে দিয়ে হঠাৎই ইস্তফা দিয়ে বসলেন বিপ্লব কুমার দেব। রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা পত্র জমা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা বিজেপির কার্যকতা। আমাকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং পরে মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত করেন অমিত শাহ। আশা করি, প্রদেশ সভাপতি এবং মুখ্যমন্ত্রী পদে আমি ত্রিপুরার মানুষের সামনে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই কাজ করার চেষ্টা করেছি।
তাঁর কথায়, এখন দল চাইছে নির্বাচনের আগে দায়িত্ববান কার্যকর্তাকে নিয়ে আসা হোক। সংগঠন থাকলে তবেই সরকার থাকবে। জয় হলেই তবে সরকার গঠন হবে। তাই আগে সংগঠনের কথা ভেবে নির্বাচনে নেমে তারপর মুখ্যমন্ত্রী পদে কে আসবে সেটা নিয়ে ভাবা যাবে।


তবে কী নির্বাচনের আগে সংগঠনে বেশী করে সময় দেবেন বিপ্লব দেব? রবিবারও হেঁসে বললেন সেটা অবশ্যই। দলের প্রতিটি নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। একই সঙ্গে তিনি আশা করছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাবেন।
যদিও মানিক সাহাকে মুখ্যমন্ত্রী করা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে বিজেপির বিধায়কদেরই। তাঁদের কথায়, কোনও আলোচনা ছাড়াই মানিক সাহাকে মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনে বাকি ১০ মাস, পাঁচ বছরে ফের ‘মানিক’ জমানা
বিজেপির এই দ্বন্দ্বের মধ্যেই নিজেদের উত্থানের আভাস পাচ্ছে সিপি(আই)এম। নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে এই কাজ করছে বিজেপি। গত চার বছরে তাঁরা ত্রিপুরার জন্য কিছুই করেনি। নির্বাচনের আগে নজর ঘোরাতে এই কাজ করছে। দাবী ত্রিপুরা সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র তিওয়ারির।







