নজরবন্দি ব্যুরোঃ নীল বাড়ির লড়াইয়ে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে মনোনয়ন জমা করবে দুই হেভিওয়েট মমতা-শুভেন্দু। নির্বাচনের দিনক্ষণ আগেই ঘোষণা হয়ে গেছে। কিছুদিন আগেই নিজেদের পূর্ণ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আর তার ৪৮ ঘণ্টা পরে প্রথম দুদফায় দলে ৫৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। যে তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে পূর্ব অনুমান মতই সবথেকে হাইভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে নীলবাড়ি নন্দীগ্রামে। যেখানে একদিকে প্রার্থী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ ব্রিগেড সভার রেশ কাটার আগেই ফের রাজ্য সফরে মোদি, সভা করবেন আরও দুই জেলায়।


অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁরই একসময়ের শিস্য বিজেপিতে যোগদানকারী শুভেন্দু অধিকারী। যে নন্দীগ্রামকে মমতার নেত্রী হয়ে ওঠার আঁতুড়ঘর বলা হয় সেখানেই এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে। অন্যদিকে শুভেন্দু এখানকার ভূমিপুত্র। তাই লড়াই যে জোরদার হবে তা বলাই বাহুল্য। এদিকে ব্যালটে লড়াইয়ের আগে এখন দুই নেতার মনোনয়ন জমা দেওয়ার পালা। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন তিনি মনোনয়ন জমা দেবেন ১০ ই মার্চ। আর তাঁর জমা দেওয়ার ঠিক ৪৮ ঘণ্টা পরে অর্থাৎ ১২ ই মার্চ শুক্রবার নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী। মনোনয়ন পেশের আগে মিছিলের পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির তরফ থেকে।
সূত্রের খবর ওই মিছিলে থাকার কথা দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র এর আগেও হলদিয়ায় নরেন্দ্র মোদীর সভার সময় পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই ছিলেন। অন্য দিকে, অমিত শাহর সফর বাতিল হওয়ায় হাওড়ার ডুমুরজলার সভায় এসেছিলেন স্মৃতি। এর পরে বিজেপি-র ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতেও রাজ্যে এসেছিলেন স্মৃতি। পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তার আগেই ই-স্কুটার চালিয়ে নবান্নে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। স্মৃতিও তার পাল্টা বাংলায় এসে স্কুটার চালিয়ে দেখান।
নীল বাড়ির লড়াইয়ে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে মনোনয়ন জমা করবে দুই হেভিওয়েট মমতা-শুভেন্দু। শুভেন্দুর মনোনয়নের সময় ধর্মেন্দ্র ও স্মৃতিকে বিজেপি হাজির করতে চাইছে মনোনয়নকে আরও ওজনদার এবং রংদার করার জন্য। শুধু শুভেন্দু বা রাজ্য বিজেপি নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা প্রার্থী হওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন পদ্মের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদীও রবিবার ব্রিগেড সমাবেশ থেকে একটি মাত্র বিধানসভা এলাকার নামই উল্লেখ করেছেন— নন্দীগ্রাম।









