নজরবন্দি ব্যুরো: ব্রিগেড সভার রেশ কাটার আগেই ফের রাজ্য সফরে মোদি, তাঁর পরবর্তী কর্মসূচির দিনক্ষণ জানিয়ে দিল বিজেপি। ব্রিগেড জনসভার ১১ দিনের মাথায় ফের রাজ্য সফরে আসছেন মোদি। এবার সভা করবেন পুরুলিয়া ও কাঁথিতে। বাংলার মসনদ দখলের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত শাসকদল সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। তৃণমূল কংগ্রেস পূণরায় সরকার গঠনের জন্য লড়াই দিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ এক্সট্রা প্রচার ‘হটসিট’-এ, নন্দীগ্রামের উপরি পাওয়া কয়েকটি হেলিপ্যাড।


অন্যদিকে বাংলায় সরকার গড়তে মরিয়া গেরুয়া শিবির। সেই উদ্দেশ্যেই প্রায় প্রতিদিন রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। ইতিমধ্যে ঠিক হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী প্রচারে বাংলায় কে কটি সভা বা র্যালি করবেন। পশ্চিমবঙ্গে মোদির ২০টি জনসভা ও ব়্যালি করার কথা। অমিত শাহ’র অন্তত ৫০টি সভা করবেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যেই ৭ মার্চ ব্রিগেডে মেগা শো সেরে ফেলেছেন মোদি। ব্রিগেড সভার দিনই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মমতার একসময়ের সঙ্গী মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী।
সোমবার বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী সভার দিনক্ষণ। আগামী ১৮ মার্চ পুরুলিয়া ও ২০ মার্চ কাঁথিতে সভা করবেন মোদি। এছাড়াও মেদিনীপুরে আরও একটি জনসভা করার কথা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। পুরুলিয়া বিজেপির শক্তঘাঁটি। পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা নির্বাচন সবেতেই ভালো ফল করছে বিজেপি। কিন্তু সেই পুরুলিয়া জেলাতেই এবার বিজেপির পথের কাঁটা হতে পারে গোষ্ঠীকন্দল, বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ১৮ মার্চ পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রী সভা দলিয় কর্মী সমর্থকেদের উপর কতটা প্রভাব ফেলে এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে পুরুলিয়ার কোথায় মোদির সভা হবে তা এখনও জানানো হয়নি।
পুরুলিয়ার সভার একদিন পর ২০ মার্চ কাঁথিতে সভা করবেন তিনি। আসন্ন নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নন্দীগ্রাম। সেখান থেকে লড়াই করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জের জায়গা। শুভেন্দু অধিকার হয়ে প্রচারে নামছেন মোদি। জানা যাচ্ছে ২০ মার্চের সভার পর মেদিনীপুরে আরও একটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে নির্বাচনের প্রচারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রাজ্যে আসা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। মমতার দলের মতে, রাজ্যস্তরে বিজেপির কোনও মুখ নেই।


ব্রিগেড সভার রেশ কাটার আগেই ফের রাজ্য সফরে মোদি, তাই দিল্লি থেকে বারবার ছুটে আসতে হচ্ছে নেতা-মন্ত্রীদের। তাই বঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকেই ২০টির বেশি সভা করতে হচ্ছে। যদিও তৃণমূলের সেই কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাঁদের মতে, নরেন্দ্র মোদি শুধুমাত্র এদেশের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাও। তাই রাজ্য নির্বাচনে জিততে কেন্দ্র ও রাজ্যের নেতারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করছেন। তাই পশ্চিমবঙ্গে বারবার প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।
,
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



