নজরবন্দি ব্যুরোঃ নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে গতকালই পাঁচ দিনের দিল্লি সফরে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসার সম্ভাবনা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বামেদের অভিযোগ, ওই বৈঠকে ‘সেটিং’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ‘সেটিং’ বিষয়েই মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুনঃ চারটে লোকের একনায়কতন্ত্র চলছে, কটাক্ষ রাহুলের



আজ সকালে দিল্লী গিয়েছেন বিজেপি রাজ্যসভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। রাজধানী রওনা দেওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকরা ‘দিদি-মোদী’ সেটিং নিয়ে প্রশ্ন করেন তাঁকে। সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ‘একজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করতেই পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো ছেড়ে দিন, পিনারাই বিজয়ন ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান করেন। নীতিগত দিক থেকে তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মাঝে মাঝে বৈঠক হয়।’



এরপরেই স্কুল সার্ভিস কমিশন দুর্নীতির তদন্তে নগদ ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার এবং রাজ্যের হেভিওয়েট পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বৈঠকে উনি পা ধরুন বা হাত ধরুন, বাঁচবে কেউ না।’ আসলে মমতা মোদীর দিল্লির বৈঠকে নজর গোটা দেশের। কী নিয়ে কথা হতে পারে? উঠে আসবে কোন কোন বিষয়? কৌতূহল বাড়ছেই ক্রমশ। কারণ এই মুহুর্তে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইস্যুতে বিড়ম্বনায় রয়েছে তৃণমূল।
‘উনি পা ধরুন বা হাত ধরুন, কেউ বাঁচবে না।’ মোদীর সাথে বৈঠকের আগে মমতাকে খোঁচা BJP-র

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাজ্যের জিএসটি বকেয়া-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি৷ সূত্রের খবর, রাজ্যের বকেয়া নিয়েও সরব হতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷ তবে রাজ্যে পার্থ-অর্পিতা, এসএসসি দুর্নীতির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠককে বিরোধীরা সেটিং-এর চেষ্টা হিসেবেই দেখছে।







