নজরবন্দি ব্যুরোঃ ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মতো মুখে পড়তে হয়েছে রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীদের।ইতিমধ্যে ন্যাশনাল হেরাল্ডের অফিস সিল করে দিয়েছে ইডি৷ নজর পড়েছে রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সম্পত্তির দিকেও৷ শুক্রবার একাধিক ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের তরফে৷ এরই মধ্যে কেন্দ্র সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধী৷
আরও পড়ুনঃ Partha-Arpita: ২০১২ সাল থেকে পার্থর পার্টনার অর্পিতা, আজও উদ্ধার হতে পারে বিপুল টাকা!


এদিন রাহুল গান্ধী বলেন, যেভাবে সরকার বিরোধীদের ওপর কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ছুট দিয়ে রেখেছে, তাতে স্পষ্ট হচ্ছে এই সরকারের একনায়কতন্ত্র। তাঁর কথায়, আমরা সাত দশক ধরে ইঁটের ওপর ইঁট জুড়ে দেশ বানিয়েছি৷ আর মাত্র পাঁচ বছরেই এই সরকার সব ভেঙে ফেলতে চাইছে। সরকারের বিরুদ্ধে যেই কেউ কিছু বলার চেষ্টা করছে তাঁকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের ইস্যুকে সামনে এনে প্রতিবাদ করা যাবে না।

সরাসরি কেন্দ্রিয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে কংগ্রেস সাংসদের মন্তব্য, আজ ভারতে কোথাও সংবিধান নেই। চারটে লোকের একনায়কতন্ত্র চলছে৷ আমাকে যদি গ্রেফতার করা হয়, আমি সবথেকে খুশি হবো।
Why do they attack the Gandhi family? They do it because we fight for an ideology & there are crores of people like us. We fight for democracy, for communal harmony and we have been doing this for years. It's not just me who did that, it has been happening for years: Rahul Gandhi pic.twitter.com/PSaaCqs51W
Related Newsহরমুজ়ে হামলা, ডুবে গেল ভারতীয় জাহাজ—কড়া বার্তা দিল নয়াদিল্লি, রক্ষা পেলেন ১৪ নাবিক১৬ রাজ্য ও ৩ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা সংশোধন, বিজ্ঞপ্তি কমিশনের— ANI (@ANI) August 5, 2022
শুক্রবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি, জিএসটির বৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নামতে চলেছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের তরফে নেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি। সেজন্য দিল্লির রাজপথে রয়েছে পুলিশের কড়া নজরদারি। যদিও বিজেপির বক্তব্য, কংগ্রেস সংবিধান রক্ষার জন্য নয়, রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর ২ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাঁচাতে মিছিল করছে।
চারটে লোকের একনায়কতন্ত্র চলছে, আক্রমণে রাহুল

বিজেপির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নিজেদের মতো করে কাজ করছে। এখানে তাঁদের হস্তক্ষেপের বিষয় নেই৷ এটা ইচ্ছাকৃতভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।









