নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে আন্দোলন। এখনও জারি রয়েছে তা। নিয়োগপত্র না পাওয়া অবধি আন্দোলন জারি থাকবে। জানিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। এবার আমরণ অনশনের ডাক দিয়েছেন হবু শিক্ষকরা। এবার হবু শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বল ফের আদালতের কোর্টে ঠেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা, কারণ জানালো নবান্ন
মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হয় ২০১৪ সালে টেট পাশ চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সব নিয়ে আমি এখন আলোচনা করছি না। এটা এখন বিচারাধীন বিষয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছে। তোমরা আদালতকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করো।

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, গত ৮ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী ২০ হাজার টেট পরীক্ষার্থীদের চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেইমতো এখনও কিছু পদ ফাঁকা থাকার কথা। সেই পদে নিয়োগ না করে একসঙ্গে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ঘোষনা করতে চাইছে পর্ষদ। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য গত দুই বার ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করেছেন তাঁরা। তাই এখন ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করবেন না তাঁরা।
অন্যদিকে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের কথায়, আজকে যারা নট ইনক্লুডেড, তাঁর কিন্তু পর পর দুইবার ইন্টারভিউ দেওয়ার অর্থাৎ রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন। তার পরেও তাঁরা এম প্যানেল হননি। তাঁরা আন্দোলন করছেন। আমরা কখনই বলতে পারি না তারাই শুধুমাত্র আবেদন করবেন। তাঁরা চাইছেন, তাঁরা কোনও ইন্টারভিউ দেবেন না আর। তাঁদেরকে নিয়োগ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ মনে করে তাঁদের দাবি অন্যায্য।
আদালতকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করো, মমতার জবাব ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা

প্রায় ১১ হাজার শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এই ধরনের আন্দোলনকে ইন্ধন জোগাচ্ছেন বলেও দাবি করেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। আন্দোলনকে সমর্থনকে বোর্ডের তরফে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বয়স অনেকের পেরিয়ে গেলেও সেখানে বোর্ডের তরফে নিয়মভঙ্গ করার সুযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।



