নজরবন্দি ব্যুরো: বিধানসভার বাদল অধিবেশনে আজ বিজেপির মুলতুবি প্রস্তাব গ্রহণ করেন স্পিকার। আলোচনা চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের নন্দীগ্রামের ‘হার’ নিয়ে ‘লোডশেডিং’ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার বিরোধিতায় বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করে গেরুয়া শিবির।
আরও পড়ুন: ভোট মিটলেও ‘অশান্ত’ ভাঙড়, আরাবুলপুত্রকে নিরাপত্তা দেবে রাজ্য


এদিন দুপুর ২ টো নাগাদ বিধানসভায় পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রথমেই প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, “রাজ্য সরকার বলছে ভোটে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সংবাদমাধ্যম বলছে ৫৫ জন মারা গিয়েছেন। ২০ হাজার বুথে ভোট লুঠ হয়েছে।” আরও বলেন, “পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের সহায়তা করে রাজ্য। নতুন নির্বাচন কমিশনার ৮ জুন নিজের পদে বসেই ভোট ঘোষণা করেছেন। ৯ তারিখেই ভোট প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি।” বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ত্রিস্তরীয় লুঠ হয়েছে। এই দায় রাজ্য সরকারের। ২৫ টি ব্লক অবরোধ করে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি।



এরপরই বক্তব্য রাখতে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সরকার ও বিরোধীদের ধন্যবাদ জানান এবং প্রয়াত বিধায়কের পরিবারকে সমবেদনা জানান। বিরোধীদের নানা অভিযোগ নিয়ে একে একে কথা বলেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানায় এনে বলেন, “সিপিএম জমানার কথা বলা হয় না। কেন্দ্র যেমন ভোট করায় না, তেমনই রাজ্য সরকার ভোট করায় না। লোকসভা ও বিধানসভা ভোট চিরকুটে পুলিশ বদল। নন্দীগ্রামে দু’ ঘণ্টা লাইট বন্ধ করে দিয়ে কী হয়েছিল ভুলে গেলেন।’’

নন্দীগ্রামের ‘হার’ নিয়ে কথা তুলতেই বিজেপি বিধায়করা বিধানসভার ভিতরেই বিক্ষোভ শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়কেরা কালো কাপড় দেখিয়ে ওয়াকআউট করেন তারা। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে ‘সেম সেম’ স্লোগান ওঠে।
নন্দীগ্রামের ঘটনা ভুলে গেছেন? বিধানসভায় ‘লোডশেডিং’ প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দুকে নিশানা মমতার








