নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া পরেই তোপ দেগেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগে সৌরভের সমর্থনে একাধিক মন্তব্য করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছিল। এবার উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে ফের সৌরভের পক্ষে ব্যাট ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, মুখে বুজে ব্যাথা সহ্য করেছে সৌরভ।
আরও পড়ুনঃ Sreelekha Mitra: দিদি আপনি কি বিজেপিতে যোগ দেবেন! মমতাকে কটাক্ষ শ্রীলেখার


এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তোমরা দেখেছ আমি ওকে নিয়ে প্রশ্নও করেছি। ও ভেরি মাচ এনটাইটেলড ছিল। তিনবার ডিরেক্টর ছিল। ওকে পাঠালে দেশের গৌরব বাড়ত। জগমোহন ডালমিয়াও তো হয়েছিল। শরদ পাওয়ারও তো হয়েছিল। তাহল কোন এক অজ্ঞাত কারণে আজকে সৌরভের মতো ছেলেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। পজিশন রেখে দেওয়া হয়েছে অন্য কারোর জন্য রিজার্ভ করে।

একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, কোন অজানা কারণে? নিজস্ব স্বার্থপরতার কারণে দেশের সত্যিকারের যারা ক্রিড়াপ্রেমী মানুষ, তাঁদেরকে বঞ্চিত করে, একয়াজ করতে পারে? আজ শচীন তেণ্ডুলকর এই জায়গায় থাকলে আমি শচীনকে সমর্থন করতাম। আজাহার থাকলে আজাহারকে সমর্থন করতাম। আমরা ক্রিকেটটাকে সর্বদা ইন্ডিয়া হিসাবে দেখি। আজ সৌরভ ভদ্র ছেলে বলে কিছু বলেনি। মুখ বুজে ওর যে ব্যাথা হয়েছে, সেই ব্যাথা বুঝতে দেয়নি। কিন্তু এটাকে আমরা সহজভাবে নিচ্ছি না। লজ্জাহীন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এটা। কোনও একজন ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।


মুখে বুজে ব্যাথা সহ্য করেছে সৌরভ, নাম না করে জয় শাহকে খোঁচা

উল্লেখ্য, এখনও অবধি পাওয়া অবধি খব অনুযায়ী বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। শেষ দিনে ক্রিকেট বোর্ডের তরফে কার নাম পাঠানো হয়? সেই দিকে নজর ছিল সকলের। কিন্তু এদিনেও নিরাশ সৌরভের অনুরাগীরা। কারো নাম পাঠানো হয়নি। ত্যবে নাম না করলেও এদিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণ অমিত পুত্র জয় শাহের বিরুদ্ধে ছিল। তা একেবারে স্পষ্ট।







