নজরবন্দি ব্যুরোঃ পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূলকে চাপে রাখতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিজেপি। কিছুক্ষন আগেই বিজেপি তথ এনডিএ জোটের উপরাষ্ট্রপতি পদে জগদীপ ধনখড়ের নাম ঘোষণা করেছেন জেপি নড্ডা। এবার দ্বিতীয় চমক, বাংলার রাজ্যপাল উপরাষ্ট্রপতি মনোনীত হওয়ার পর কে হবেন রাজ্যের রাজ্যপাল সেই প্রশ্ন উঠছিল। বিজেপি সূত্রে খবর নতুন রাজ্যপাল হতে চলেছেন আর কেউ নন, বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু।
আরও পড়ুনঃ উপরাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, NDA-র প্রার্থী ঘোষণা নড্ডার


বার বার রাজ্য সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন জগদীপ ধনখড়। তৃণমূল নেতৃত্বও বার বার তাঁকে পালটা আক্রমণ করেছেন। সেই জগদীপ ধনখড়ই এবার উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএর প্রার্থী। জগদীপ ধনখড়কে দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডা। এই মুহূর্তে বিজেপি তথা এনডিএ-র যা সাংসদ সংখ্যা তাতে ধনখড়ের উপরাষ্ট্রপতি হওয়া কার্যত নিশ্চিত।

এই পরিস্থিতিতে ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল। কারণ রাজ্য আর রাজ্যপালের সংঘাত বাংলায় নতুন কিছু নয়। কিন্তু সেই সংঘাতকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের প্রায় সব ইস্যু নিয়েই সরব হতে দেখা গিয়েছে ধনখড়কে। মাঝেমধ্যেই ধনখড় আর তৃণমূল নেতাদের মধ্যে মিডিয়া যুদ্ধ আর ট্যুইট যুদ্ধ লেগেই থাকত এবার সেই ধনখড়ই উপরাষ্ট্রপতি পদে বসতে চলেছেন।


বাংলার নতুন রাজ্যপাল ভেঙ্কাইয়া নাইডু, তৃণমূলকে চাপে রাখতে নয়া চাল BJP-র!

অন্যদিকে বিজেপি সূত্র বলছে ভেঙ্কাইয়া নাইডুকে বাংলার রাজ্যপাল পদে বসাতে চলেছে বিজেপি। সূত্রের দাবি জগদীপ ধনখড় রাজ্যের সমালোচনা করলেও তাঁর সুর ছিল নরম। তিনি নিজেও কোমল স্বভাবের। যার সম্পূর্ণ বিপরীত হলেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু। সুতরাং রাজ্যের ক্রমবর্ধমান হাইকোর্ট বিড়ম্বনার মাঝে ভেঙ্কাইয়ার মতো একজন রাজ্যপালের পদে বসলে শাসক দলের যে চাপ বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে শুধুমাত্র শাসক দলের পরবর্তী রণনীতি নয়, আগামী দিনে এই পদক্ষেপ বিরোধীদের বিরাট প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেবে এবিষয়ে কোনও অবকাশ নেই। তবে এতে যে রাজ্যের শাসক দল বিরাট চাপে পড়বে, এবিষয়ে কোনও অবকাশ নেই। কারণ, এই রাজ্যপালের আমলেই রাজ্য বনাম রাজ্যপালের চরম সংঘাতের সাক্ষী থেকেছে রাজনৈতিক মহল৷ একে অপরকে কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হয়নি কোনও পক্ষ৷ এবার সেই সংঘাত কী রাজ্যসভার কক্ষের মধ্যেও দেখা যাবে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের৷







