নজরবন্দি ব্যুরোঃ গঙ্গাসাগর মেলা হচ্ছে। তবে নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। মেলা নিয়ে নতুন কমিটি গঠন এর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পূর্ণ বদলে গেল কমিটি। নতুন কমিটিতে জায়গা পেলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। তিনি চেয়ারপার্সন হিসাবে নিযুক্ত থাকছেন। সঙ্গে থাকছেন রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সদস্য সচিব। মেলা নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি।
আরও পড়ুনঃ Covid-19: দ্রুত বাড়তে পারে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের


“রাজনীতিমুক্ত হোক গঙ্গাসাগর মেলা কমিটি।” কমিটিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল রাজ্য সরকার। একইসঙ্গে কমিটিতে বিশেষজ্ঞদের রাখার দাবি তুলেছেন মূল মামলাকারীরা। সোমবার সেই রায়দান পর্ব স্থগিত থাকার পর মঙ্গলবার রায়দানে কমিটি থেকে বাদ পড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আদালতের তরফে বলা হয়েছে, দুটি টিকা নেওয়ার শংসাপত্র থাকলেই তাঁকে সাগরে যেতে দেওয়া হবে। কোনও ব্যক্তি দুটি টিকা নিয়েছেন কী না তা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের মুখ্যসচিবকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়াও রিপোর্ট নেগেটিভ এলেই যেতে দেওয়া হবে সাগরে। সমস্ত শর্ত মানা হচ্ছে কী না তার ওপর নজরদারি রাখবে এই কমিটি।একইসঙ্গে আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, পুরো গঙ্গাসাগর এলাকাকে নোটিফায়েড জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। হাইকোর্টের দেওয়া সমস্ত শর্ত মানা হচ্ছে কী না তা নজরদারি রাখতে হবে মুখ্যসচিবকে।
রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে গঙ্গাসাগর মেলা না করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন অনেকেই। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হয়েছিল মেলা বন্ধ করার জন্যে। কিন্তু, তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। শর্তসাপেক্ষে মেলার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আর এবার গঙ্গাসাগর মেলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি নিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন ৩ আইনজীবী।


গঙ্গাসাগর মেলার রায় পুনর্বিবেচনার একাধিক আর্জি আজ জমা পড়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। ৩ সদস্যের কমিটিতে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে আপত্তি উঠেছে। সব মিলিয়ে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে রাজ্যে। রাজ্যের দাবি শুভেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হোক।
মেলা নিয়ে নতুন কমিটি গঠন, একগুচ্ছ নির্দেশ আদালতের

প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনটি মামলা দায়েরের অনুমতি চান ৩ জন আইনজীবী। পুনর্বিবেচনার আবেদনের ৩ আবেদনকারী হলেন কবিরুল ইসলাম, অজয় কুমার দে ও প্রমোদ ভার্মা। আর ৩ আবেদনকারীর আইনজীবী শুভঙ্কর নাগ, সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় ও রিজু ঘোষাল। মামলার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার শুনানির পর মামলার রায়দানে স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত।







