নজরবন্দি ব্যুরো: ঈদে লকডাউন শিথিল কেরলে, সমালোচনার মুখে কেরল সরকার। অনেকের মতে তুষ্টিকরণ রাজনীতি করতে গিয়ে মহামারিকে গুরুত্ত দিলেন না কেরলের বাম সরকার। তবে মুসলমান সমাজের অনেকেই বিষয়টি ভালো চোখে দেখছেন না। এ রাজ্যের অনেকেই বলছেন ঈদে তাঁদেরও। তবে যদি ঈদ পালন করতে গিয়ে অসুখই বাঁধল…তবে বাকি কিছু কী হবে।
আরও পড়ুনঃ পেগাসাস প্রোজেক্ট রিপোর্ট…ফাঁদে অভিষেক-পিকে
করোনা সংক্রমণে গত বছর গোটা দেশকে পথ দেখিয়েছিল কেরল। তবে এবার ছবি অন্য। এবার গোটা দেশের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো হলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজয়নের রাজ্য। আর তার মধ্যেই হঠাত ঈদ উপলক্ষ্যে ছাড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নিয়ে আইন-আদালত বিচার মামলা সব চললেও সবকিছুর বাইরে কী ভাবছেন তাঁরা যাঁরা সারাবছর অপেক্ষা করে থাকেন এই দিনটার জন্য।
ঈদে লকডাউন শিথিল কেরলে, চলছে মামলা।

কেরলে সংক্রমন রুখতে সাপ্তাহিক লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন পিনারাই। এবার তিনি জানান রবি সোম এবং মঙ্গলবার লকডাউনের আওতায় পড়বেনা। খোলা থাকবে বাজার হাট। একসঙ্গে চল্লিশ জনের বেশি জড়ো হওয়া যাবেনা বলে জানিয়েছে কেরল সরকার। কেরলের পরিস্থিতি বাংলার থেকেও খারাপ অবস্থায় তাই কড়াকড়ি বহাল রাখা উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঈদে লকডাউন শিথিল কেরলে, সিদ্ধান্তের পরেই কেরল সরকারকে তীব্র সমালোচনা করেন ফুরফুরা শরীফের বড় পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকী। এদিকে সিপিএমের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে কেরল সরকার সমস্ত বিধি মেনে শবরিমালা মন্দিরেও প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। তাতে কেন কোনো সমালোচনা শোনা যাচ্ছেনা।
তবে রাজ্য রাজনীতির জলঘোলার বাইরে এই রাজ্যে তাঁরাও চাইছেন না নিয়মে শিথিলতা। বকরি ঈদের জন্য বাংলায় কোন নিয়ম লাঘুর কথা বলা হয়নি, এই রাজ্যের কোন মুসলিম সংগঠন সেই আবেদন করেননি এখনো। প্রতিবারের নিয়ম বদলেছে এবার। করোনা কালের জন্য নামাজ পড়া যাবেনা রেড রোডে। তাতে মনে দুঃখ হলেও তা বড়ো নয় রোগ ব্যাধির থেকে। তাই এই ঈদে কোন ছাড় চান না তাঁরা। এবার সুস্থ থাকলে পরের বারে একসঙ্গে বসবেন সেই আশায় দিন গুনছেন বাংলার সকলে।



