নজরবন্দি ব্যুরোঃ পেগাসাস প্রোজেক্ট রিপোর্ট, এই মুহুর্তে সবথেকে বেশি চাঞ্চল্য চড়িয়েছে এই একটি মাত্র রিপোর্ট। রাজ্য বা দেশের রাজনীতিবিদ, রাজনৈতিক প্ল্যানিং প্লটিং নয়, শিরোনামে উঠে আসছে কর্তা ব্যাক্তিদের নাম। একে একে বের হচ্ছে ঠিক কাদের কাদের ফোনে আড়িপাতা হয়েছে, এবং কোন সময়ে হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শিশু পাচারে ধৃত অধ্যক্ষ্যের সঙ্গে যোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর, চিত্র প্রমাণে ট্যুইট শশী পাঁজার
এতোটা পর্যন্ত শুনে জেনে সকলেই মোটামোটি হিসেব কষে নিচ্ছেন কেনো আড়িপাতা হয়েছে…ওয়াকিবহাল মহল কিছুক্ষেত্রের রিপোর্ট দেখে বলছেন প্রবাদের কথা। রিপোর্টে জানা যাচ্ছে শুধু কোন রাজনীতিবিদ বা ব্যাবসায়ী নন, কিছু ক্ষেত্রে আড়িপাতা হয়েছে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মহলেও। সেক্ষেত্রে ওয়াকিবহাল মহল ভাবছে এ যেনো কিছুটা কান টেনে মাথা আনার পদ্ধতি।
এই মুহুর্তে এই ফোন হ্যাকিং পেগাসাস নিয়েই চর্চা সব মহলে। ২০১৯ সাল থেকে বিশ্বের ১৬টি সংবাদমাধ্যম মিলে ‘পেগাসাস প্রোজেক্ট’ নামে একটি তদন্ত করেন এবং গতকাল দ্য ওয়ার নামে একটি পত্রিকায় তার সমগ্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা গিয়েছে দেশের নেতা মন্ত্রী ব্যাবসায়ী এবং সাংবাদিকদের ফোনে আড়িপাতা হয়েছে।
পেগাসাস প্রোজেক্ট রিপোর্ট, ফোনে আড়িপাতা হয়েছে আভিষেকের ব্যাক্তিগত সচিবেরও।
এবার সেই তালিকায় নাম যোগ হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের নাম। ‘দ্য ওয়্যার’ এর প্রতিবেদন বলছে বাংলার ২১ এর বিধানসভা ভোটের আগে থেকেই ফোনে আড়িপাতা হয়েছে অভিষেকের, বাদ যাননি তাঁর ব্যাক্তিগত সচিব। একই সঙ্গে নাম এসেছে প্রশান্ত কিশোরের।
২১ এর ভোট যুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছিলেন পিকে এবং তাঁর টিম। সেই সময়ে আড়ি পাতা হয়েছে তাঁদের ফোনেও। যে কোনও ফোনে আড়ি পাতা, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে নজরদারিতে সরকারি অনুমতি থাকে, এই মুদ্দায় অধিবেশনের প্রথম দিনেই সুর চড়িয়েছে দেশের সব বিরোধী দলগুলি। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীর দাবি সংসদের অধিবেশনের আগের দিনে এই রিপোর্ট প্রকাশ নেহাত কাকতালীয় নয় কোনভাবেই।



