নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেশ কিছুটা সংক্রামণ কমে পরিস্থিতি নরমাল হচ্ছিলো, ঠিক তার মধ্যেই চিনে ফের ছড়াচ্ছে করোনা। বাদ নেই রাজধানী বেজিং (Bejing)। সেখানে শুরু হয়েছে মাস টেস্টিং। অনেকের আশঙ্কা, শীঘ্র শহরে (Bejing) কড়া লকডাউন জারি হতে পারে। সেজন্য শহরের কেন্দ্রস্থলে বিভিন্ন দোকানে সোমবার সকাল থেকেই দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন হয়ে রয়েছে সাংহাই শহর।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্র নয়, শুভেন্দুর উদ্যোগে তদন্তে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি, যাবে তালডাংরায়


সোমবার জানা গিয়েছে, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় শহরে মারা গিয়েছেন ৫১ জন। সাংহাই শহরে তাজা ফল ও শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে না। কোভিড বাদে (Bejing) অন্যান্য রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের চিকিৎসা পেতে সমস্যা হচ্ছে। বেজিং-এর (Bejing) অদূরে চাওইয়াং জেলায় মাস টেস্টিং-এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ৩৫ লক্ষ মানুষ বাস করেন। বেশ কয়েকটি বহুজাতিক সংস্থার অফিস আছে সেখানে।

চাওইয়াং জেলায় এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন শপিং মল ও সরকারি অফিসের বাইরে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন অনেকে। তাঁরা সোয়াব টেস্টিং-এর জন্য অপেক্ষা করছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ২৫ বছর বয়সী ইয়াও লেইমিং। তিনি বলেন, একজনের শরীরেও যদি কোভিড ধরা পড়ে, পুরো এলাকায় ছড়িয়ে যেতে পারে।
কোভিডের ভয়ে বেজিং-এর বেশ কয়েকটি জিম ও ফিটনেস সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শহরে কেউ ঢুকতে চাইলে কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাতে হচ্ছে। কোভিডের নতুন ওয়েভ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনটি অস্ত্র প্রয়োগ করেছে চিন। লকডাউন, মাস টেস্টিং এবং ঘোরাফেরায় কড়াকড়ি।


ফের লকডাউনের আশঙ্কা, তাড়াহুড়ো করে জিনিসপত্র কিনছেন মানুষ

চিনা প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই দেশে ফের অতিমহামারী ছড়িয়ে পড়েনি। কিন্তু কড়াকড়ির ফলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।







