নজরবন্দি ব্যুরোঃ তদন্তকে বিভ্রান্ত করে টাকা ভিন রাজ্যে সরিয়ে দিচ্ছে কুন্তল। এই অভিযোগ তুলেছিলেন বলাগড়ের আরও এক সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই ইডির হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, গোয়ায় ৫০ কোটি টাকার বিনিময়ে হোটেল এবং ত্রিপুরায় চা বাগান কিনেছিলেন কুন্তল। নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় ত্রিপুরা-গোয়ায় বিপুল সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ উঠতেই খারিজ করলেন কুন্তল।


শুক্রবার মেয়াদ শেষের পর আরও একবার কুন্তলকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানেই সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তাঁর গোয়া এবং ত্রিপুরায় কোনও সম্পত্তি রয়েছে কিনা। উত্তরে কুন্তল বলেন, আপনারা যে কথাগুলো বলছেন, যাচাই করে বলুন। ত্রিপুরার চা বাগান, গোয়ার হোটেল! যে কথাগুলো বলছেন, দয়া করে তার ঠিকানা দিন।
নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়ার ৫৩ দিন পর দল তাঁকে বহিষ্কার করেছে। দলের এই সিদ্ধান্তকে মাথা পেতে মেনে নিয়েছেন কুন্তল। নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ তথ্য বের হতেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এই প্রশ্ন ঘিরে বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে কুন্তল এই নিয়োগ দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড এমনটাও দাবি করেছেন শান্তনু। তাঁর এই বক্তব্য শুক্রবার মোটেই গুরুত্ব দিলেন না কুন্তল।

অন্যদিকে, কুন্তলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়গ দুর্নীতির টাকা একাধিক বেআইনি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছে সে। এমনকি স্ত্রীর নামেও বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। সেকারণেই কয়েকদিন আগে কুন্তলের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে ইডি। একইসঙ্গে কুন্তলের সঙ্গে যোগ থাকায় অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং সোমা চক্রবর্তীকেও জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। শুক্রবারের মধ্যে কুন্তলের থেকে নেওয়া টাকা ফিরিয়েছেন বনি ও সোমা। কিন্তু এখনই যে তাঁদের বিপদ কাটল তা মনে করা হচ্ছে না।


নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় ত্রিপুরা-গোয়ায় বিপুল সম্পত্তি, কী বললেন কুন্তল?

শুক্রবার আদালতে পেশ করা হল কুন্তল ঘোষকে। ইডি সূত্রে খবর, তাঁর কাছ থেকে এখনও অবধি যে সমস্ত তথ্য উঠে এসেছে, সেই সমস্ত তথ্যকে হাতিয়ার করে ফের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে। এমনকি সেখানে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ানকেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।







