কুণাল ঘোষ। দলের রাজ্য সম্পাদক পদের পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচনের তারকা প্রচারক হিসাবেও তাঁকে বাদ দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি নিজেও বলেন, আমি সিস্টেমে মিসফিট। কিন্তু, তৃণমূলের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসাবেই তিনি থাকবেন তাও জানান। সোমবার সপ্তম দফার জন্য তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। আর সেই তালিকায় দেখা গেল কুণাল ঘোষের নাম।
আরও পড়ুন: ১২ কোটির বিনিময়ে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন ইউসুফ, ভোটের দিন বিস্ফোরক অধীর
কলকাতা উত্তরের বিদায়ী সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে দলের কু-নজরে আসেন কুণাল। তাঁকে রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে বাদ দেয় জোড়াফুল শিবির। এরপর নানান সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। জানান, “আমি তৃণমূলে ছিলাম, আছি, থাকব। আমার পদের দরকার নেই। পথে রয়েছি। কর্মী হিসাবে না থাকলে দিলে সমর্থক হয়ে থেকে যাব।”

সঙ্গে কুণাল এও জানান, বিভিন্ন ঘটনা যদি তাঁর মনঃপূত না হয় তাহলে তিনি মুখ খুলবেনই। তাতে যদি দলের মনে হয় কুণাল ঘোষ শৃঙ্খলা ভেঙেছেন তাহলে কিছু করার নেই। সেই কারণে তিনি নিজেকে সিস্টেমে ‘মিসফিট’ বলেও ঘোষণা করে। তবে, তৃণমূল ছাড়ার কথা কখনও বলেননি তিনি। আর এবার ফের তারকা প্রচারক হিসাবে প্রত্যাবর্তন ঘটালেন কুণাল। ফলে, তৃণমূলেরও যে তাঁকে প্রয়োজন তা আবারও পরিষ্কার হয়ে গেল।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পাশাপাশি সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে বলতে শোনা যায় তাঁকে। আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে এত বড় ঘটনা ঘটত না বলে দাবি করেন কুণাল। প্রশংসা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও। পদ হারানোর পর টানা প্রায় ২-৩ দিন শিরোনামে ছিলেন তিনি।
অবশেষে গলল বরফ? তৃণমূলের তারকা প্রচারক হিসাবে প্রত্যাবর্তন ঘটালেন কুণাল!

কুণাল ঘোষের বক্তব্যে যে যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে তা স্বীকার করে নেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। দলের দুঃসময়ে নানান ইস্যুতে তিনি ‘ব্যাট’ ধরেছেন তৃণমূলের হয়ে। কিন্তু, দলের বেশ কিছু সিদ্ধান্তে অখুশি ছিলেন কুণাল। আজ চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে। সপ্তম দফায় উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, দমদম , বারাসত, বসিরহাট, যাদবপুর, জয়নগরে ভোট। সেখানে প্রচারে দেখা যাবে কুণালকে।









