নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুলিশের সঙ্গে তুলনা করে কুকুরের অপমান করেছি। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার জনসভা থেকে পুলিশের সঙ্গে কুকুরের তুলনা করার পর রবিবার রামপুরহাটের সভা থেকে সেই বক্তব্যের ব্যাখা দিলেন সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। আর তাতেই চড়েছে বাম বনাম তৃণমূলের তরজা। পাল্টা কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ওঁদের জমানায় তো পুলিশকে দলদাস করে রেখেছিল।
আরও পড়ুনঃ Cyclone Alert: ‘অশনি সংকেত’, আসছে ভয়ঙ্কর ঘুর্ণিঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর সফর বাতিল করল নবান্ন।
৩০ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সিপি(আই)এম কর্মী বিদ্যুৎ মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার এক প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক বলেন, এক মাসের বেশী সময় হয়ে গেল আমরা এখানে প্রতিবাদ করছি। পুরো ঘটনাটি লোক দেখানো করা হচ্ছে। যার নাম বলবে তার কাছে যাবে? পুলিশ রাখার কি দরকার ছিল? কয়েকটা কুকুর পুষলেই তো হত। পুলিশের কুকুররা শুঁকে শুঁকে গিয়ে সন্দেহভাজনকে দেখিয়ে দিতে পারত। তাহলে দাবি করতে হবে, কয়েকটা এসপিকে সরিয়ে ট্রেনিং দিয়ে বিদেশি কুকুর রাখলেই তো খুনের কিনারা করতে পারবে।

রবিবার রামপুরহাট থেকে একই বক্তব্য রাখেন তিনি। মহম্মদ সেলিমের কথায়, তৃণমূলের লোকজন কেউ কেউ বলছেন, ‘ইসস! পুলিশকে আপনি কুকুরের সঙ্গে তুলনা করলেন?’ আমি সাধারণত উল্টোপাল্টা বলি না। কিছু বলে দিলেও আমার খারাপ লাগে। আমি দুঃখপ্রকাশ করি। আমি আজকে দুঃখপ্রকাশ করছি, পুলিশের সঙ্গে তুলনা করে আমি কুকুরের অপমান করেছি। এতে পুলিশের সম্মান নয়, কুকুরের সম্মান গিয়েছে। কারণ কুকুরকে প্রশিক্ষণ দিলে, বিশ্বাস করলে ও ঠিক খুনিকে গিয়ে ধরবে”।
তাঁর সংযোজন, “ওই বগটুই গ্রামে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়ে পুলিশ সুপারকে বলছেন, ‘এই কেসটা সাজাতে হবে।’ অনুব্রত মণ্ডলও বলছেন, ‘ওই রকমই কেসটা সাজাতে হবে।’ কোনও কুকুর কি জিজ্ঞাসা করবে? কোনও কুকুর ওই কথা শুনবে?”
ওঁদের জমানায় তো পুলিশকে দলদাস করে রেখেছিল, তোপ কুণালের

এপ্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, যারা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে তোজোর কুকুর বলেছিল, তাঁদের কাছে এই সংস্কৃতিটা বংশগত সমস্যা। যে জিনটা তোজোর কুকুর বলেছিল, সেই একই জিনে আবার এই কুকুর শব্দটা আনা হল। ওঁদের জমানায় তো পুলিশকে দলদাস করে রেখেছিল। তো ওদের কাছে এই ধরণের নিম্নরুচির মন্তব্যই কাম্য।








